দুই লাখ টাকায় চুক্তি করেও শেষ রক্ষা হলো না

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক চবি
প্রকাশিত: ০৮:৫৫ পিএম, ১৫ নভেম্বর ২০১৮

কক্সবাজারের মহেশখালীর মহব্বত আলী। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ‘ডি’ ইউনিটে (রোল- ৫৩১১১৬) মেধা তালিকায় তার স্থান ছিল ১৪৪তম। বিষয় পছন্দের পর কাঙ্ক্ষিত বিভাগে ভর্তি হতে আসেন। কিন্তু বিধি বাম, দুই লাখ টাকার চুক্তিতে প্রক্সির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পাওয়া মহব্বত আলী ধরা পড়ে যান।

বৃহস্পতিবার সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ভর্তিচ্ছু মহব্বতকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা তালে আটক করতে সক্ষম হন। আট হওয়া ভর্তিচ্ছু মহব্বত আলীর বাড়ি কক্সবাজারের মহেশখালীর ঘোরখঘাটার কুতুবজুমে। তার বাবার নাম আনছারুল করিম।

জিজ্ঞাসাবাদে মহব্বত আলী স্বীকার করেছেন, চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলা বিভাগের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের মোহাম্মদ ফারুকের সঙ্গে আগে থেকেই তার পরিচয় ছিল। ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ ফারুক কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

প্রতিবেশী হওয়ায় ফারুকের কাছে প্রক্সির মাধ্যমে পরীক্ষা দেয়ার উপায় জানতে চান মহব্বত। পরবর্তীতে দিদারুল আলমের সঙ্গে মহব্বতের পরিচয় করিয়ে দেন ফারুক। দিদার রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। দুই লাখ টাকার চুক্তিতে দিদারুল আলম ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে চান্স পাওয়ার পর এক লাখ টাকা দেয়ার কথা জানিয়েছেন মহব্বত। তবে অভিযুক্ত ফারুকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আলী আজগর চৌধুরী বলেন, প্রক্সির মাধ্যমে চান্স পেয়ে ভর্তি হতে এসেছিল মহব্বত আলী নামে এক শিক্ষার্থী। তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। লিখিত স্বীকারোক্তিতে যাদের নাম এসেছে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আবদুল্লাহ রাকীব/এএম/জেআইএম

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com

আপনার মতামত লিখুন :