গন্তব্য স্মৃতির মিনার

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৩৭ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

একুশ মানে মাথানত না করে জাতীয়তাবোধের চেতনায় শির উঁচু করে দাঁড়ানো। শোক ও শ্রদ্ধার মিশেলে তৈরি এক চেতনার নাম একুশ। তাইতো একুশ এলেই বাঙালি জাতি শানিত করে নিজস্ব চেতনাবোধ। সে চেতনাবোধের জায়গা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি বাঙালি স্মরণ করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের।

বুধবার রাত সোয়া ১২টায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রস্থানের পর সর্বস্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয় শহীদ মিনার। এরপর সর্বস্তরের মানুষের গন্তব্য হয়ে ওঠে স্মৃতির মিনার। শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার মিশেলে ভাষা সংগ্রামীদের স্মরণ করছে তারা। ফুলে ফুলে ভরে দিচ্ছে শহীদ মিনার।

একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশি কূটনীতিকদের শ্রদ্ধা জানানোর পর ১২টা ১৫ মিনিটে সর্বসাধরণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় শহীদ বেদী।

এ সময় মহান ভাষা আন্দোলনে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে ঢল নামে সর্বসাধারণের। প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট ও সিন্ডিকেট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সমাজাতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র মৈত্রী, ছাত্র ইউনিয়ন, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এদিকে শ্রদ্ধা জানানোর লক্ষ্যে শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশের প্রবেশ পথ থেকে শুরু করে পলাশী পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। মহান ভাষা আন্দোলনে শহীদদের প্রতি হৃদয় নিংড়ানো শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের লক্ষ্যে শহীদ বেদীর দিকে ধীর লয়ে এগিয়ে আসছে। শামিল হয়েছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়েল চত্বর ও টিএসসির পথ ধরে স্মৃতির মিনার ত্যাগ করছেন তারা।

এমএইচ/এমআরএম/জেআইএম

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - [email protected]