প্রকাশিত সংবাদে হাবিপ্রবির প্রতিবাদ

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৩৮ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘জাগোনিউজ২৪.কম’-এ রোববার প্রকাশিত ‘ইউজিসির কাঠগড়ায় ১৪ ভিসি’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বদ্যিালয় (হাবিপ্রবি) কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক কর্তৃক পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়, 'ইউজিসির কাঠগড়ায় ১৪ ভিসি' সংবাদটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটির এক পর্যায়ে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বদ্যিালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মু. আবুল কাসেম-এর বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ করা হয়েছে। যা সত্য নয় ও বিভ্রান্তিকর। সম্প্রতি ইউজিসির মাধ্যমে পাঠানো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে তদন্তপূর্বক সংযুক্ত পেপার কাটিং-এর বিষয়ে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তার একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে, সেখানে কোথাও হাবিপ্রবি’র উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ আনা হয়নি এবং এ বিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ করেনি।

হাবিপ্রবি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য :

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে অত্যন্ত স্বচ্ছ ও আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের জন্য এবার ৪টি ধাপ অনুসরণ করা হয়েছে, যা হাবিপ্রবি তথা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এক অনন্য নজির। নির্বাচনে ৪টি ধাপের সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত প্রার্থীকে নিয়োগে সুপারিশ করা হয়েছে। এই ৪টি ধাপ হলো লিখিত পরীক্ষা, ভাইভা, ডেমো প্রেজেন্টেশন ও একাডেমিক রেজাল্ট। এরপরেও এসব বিষয়ে মিথ্যা অভিযোগ এনে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার মাধ্যমে একাডেমিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার যড়যন্ত্র। ৪টি ধাপ অনুসরণ করে, সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্তদেরকে নিয়োগের জন্য সিলেকশন বোর্ডের সদস্যগণ সুপারিশ করেছেন।

এখানে উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) থেকে পদ এর অনুমোদন সাপেক্ষে সুপারিশকৃত পদের সংখ্যা বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত পদের সংখ্যা থেকে সামান্য কম বেশি হতে পারে। আরো উল্লেখ্য, এবারই প্রথম সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ও সুনাম রক্ষার্থে সকল প্রকার গণমাধ্যমসহ সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।'

এসএইচএস/এমকেএইচ

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - [email protected]