‘এই ভিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলঙ্ক’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৪:৩০ পিএম, ২০ অক্টোবর ২০১৯

দুর্নীতির অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে অপসারণের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। রোববার বিক্ষোভ মিছিল ও উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে আন্দোলনকারীরা।

দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবন ঘুরে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

এ সময় ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম অনিক বলেন, সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়কে কলঙ্কিত করেছেন। তার স্বৈরাচারীতার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। আজকের পর থেকে তিনি আর কোনো প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।

আন্দোলনের মুখপাত্র দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, এই উপাচার্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কলঙ্ক। তাকে সসম্মানে পদত্যাগে আহ্বান করা সত্ত্বেও পদত্যাগ করেননি। উপাচার্যের অপকর্মের বিষয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের কাছে চিঠি দিয়েছি। কিন্তু এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তাই আমাদের কঠোর কর্মসূচিতে যেতে হচ্ছে। কুশপুত্তলিকা দাহের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুর্নীতিবাজ উপাচার্যের অস্তিত্বকে বিলুপ্ত ঘোষণা করছি।

কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- অধ্যাপক খবির উদ্দিন, জামাল উদ্দিন রুনু, আনোয়ারুল্লাহ ভূঁইয়া, অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, অধ্যাপক তারেক রেজা ও নাজমুল হাসান তালুকদার প্রমুখ।

এছাড়া ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্র ফ্রন্ট (মার্কসবাদী), জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতির জোট, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংক্ষণ পরিষদের জাবি শাখার নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর উপাচার্য ফারজানা ইসলামকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের জন্য ১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনকারীরা। গত ৩ অক্টোবর উপাচার্যের অপসারণ চেয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি দেন তারা।

এএম/এমএস

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com