জাবির দিকে নজর রাখছে সরকার : প্রক্টর

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জাবি
প্রকাশিত: ০৫:৩৮ পিএম, ০৭ নভেম্বর ২০১৯

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেছেন, জাবির সার্বিক পরিস্থিতি সরকারের নজরে রয়েছে। চলমান সংকট সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট সমাধানে শিক্ষামন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে কথা বলেছেন। আমাদের ধৈর্য ধারণ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। আশা করছি আন্দোলনকারীরাও বিষয়টি বুঝবেন।

উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কয়েকটি সংগঠনের নেতাকর্মীরা এখানে আন্দোলন করছেন। তাদেরকে সাধারণ শিক্ষার্থী বলা যায় না। তারা বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। এভাবে আন্দোলন না করে এবার তাদের সরে আসা উচিত।

প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান আরও বলেন, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয় ও আবাসিক হল বন্ধ রাখা হয়েছে। এরপরও বাইরে থেকে এসে আন্দোলন করছেন তারা। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত না মেনে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে মিছিল-মিটিং করছেন ছাত্র ও শিক্ষকরা। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের লঙ্ঘন। উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আন্দোলনকারীদের কনসার্ট করার ঘোষণা মানবাধিকারের লঙ্ঘন।

এর আগে বুধবার রাতে ক্যাম্পাসে সব ধরনের মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেই নিষেধাজ্ঞা ভেঙেই বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন তারা।

দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

সন্ধ্যা ৬টায় পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে ‘প্রতিবাদী কনসার্ট’ করার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

গত মঙ্গলবার উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে হামলা চালায় ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় অন্তত ৩৫ জন আহত হন। এর প্রেক্ষিতে সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

ফারুক হোসেন/এএম/এমকেএইচ

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com