ইডেনে হলের সিট নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক
ক্যাম্পাস প্রতিবেদক ক্যাম্পাস প্রতিবেদক ঢাকা কলেজ
প্রকাশিত: ১২:২৬ পিএম, ০৯ নভেম্বর ২০১৯

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজের শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের সিট নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

শনিবার ভোরে এই সংঘর্ষ হয়। পরে কলেজ প্রশাসন ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেন।

সূত্র জানায়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের ২১৯ নং কক্ষে নাবিলা নামের এক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে টাকার বিনিময়ে রাখতেন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রূপা। তাকে হলে রাখাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে রূপা তার দলবল নিয়ে অন্য নেত্রী-কর্মীদের ওপর হামলা চালান।

ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাবিকুন্নাহার তামান্না নামের এক ছাত্রীকে কুপিয়ে যখম করেন রূপা। পরে আহত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে ইডেন কালেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রূপা বলেন, আমরা এমন কোনো সমর্থক তৈরি করিনি, যারা শিক্ষার্থীদের মারধর করবে। ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আঞ্জুমান আরা অনুর সর্মথকরা বঙ্গমাতা হলে গিয়ে আমার কর্মীদের ওপর হামলা করেছে। পরে হলের ২০৮ নম্বর কক্ষে গিয়ে আমার আইফোন এবং সাত হাজার পাঁচশত টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, প্রথম আমি খবর পেয়েছিলাম তারা নাবিলা নামে একটি মেয়েকে মারধর করেছে। পরে আমি সেখানে গেলে তারা আমার ওপরও হামলা চালায়।

এ বিষয়ে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আঞ্জুমান আরা অনু বলেন, ‘আমি ক্যাম্পাসে ছিলাম না। ঘটনার পরে এসেছি। সিসিটিভির ফুটেজ আছে। আপনি ইডেন কলেজের অধ্যক্ষের কাছে এ বিষয়ে জানতে পারেন।’

এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘আপনাদের কাজই হলো আমার বিরুদ্ধে নিউজ করা।’

ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জরুরি মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আশরাফ উদ্দিন বলেন, আমরা শুনেছি হলে মেয়েদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। কী নিয়ে হয়েছে, কয়জন আহত, সেটা কিছুই বলতে পারছি না। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা প্রিন্সিপালের সঙ্গে জরুরি মিটিংয়ে বসেছেন।

জেডএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]