রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে জিডি করলেন আরেক শিক্ষক

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৯:১৩ পিএম, ০৯ নভেম্বর ২০১৯

হাইকোর্টে রিট আবেদন প্রত্যাহার না করলে তাকে প্রভাব খাটিয়ে ক্ষতি করবেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলে নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মু. আলী আসগর।

অধ্যাপক আলী আসগরের করা সাধারণ ডায়েরি থেকে জানা যায়, এ বছরের আগস্ট মাসের দিকে বিভাগের নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন তিনি। উক্ত আবেদনের পক্ষে অর্ডার পেয়েছেন। বিভাগের অধ্যাপক গত ৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রণী ব্যাংকের কাছে হুমকি দিয়ে বলেন যে, উক্ত রিট আবেদন প্রত্যাহার না করলে প্রভাব খাটিয়ে ক্ষতি করবেন।

এছাড়া গত বছরের ১ নভেম্বর বিভাগের বি.এসসি.এজি (অনার্স) পার্ট-১ পরীক্ষায় সয়েল সায়েন্স-১ (কোর্স সিএসটি-১০২) তত্ত্বীয় পরীক্ষায় হল পরিদর্শনের দায়িত্বে ছিলাম। পরীক্ষায় এক ছাত্র অসদুপায় অবলম্বন করায় প্রধান পরিদর্শক তার উত্তরপত্র জমা নিয়ে আমার কাছে দেন। কিছুক্ষণ পর শিক্ষক খাইরুল ইসলাম পরীক্ষার হলে এসে আমার সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং ওই ছাত্রের খাতা জোর করে ছিনিয়ে নেন। এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলামের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন তিনি বলেও ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, র্যাগিংয়ের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিভাগের আল আমিন নামের এক শিক্ষার্থীর তদন্তের ভার ছিল তার কাছে। ওই শিক্ষার্থী তদন্তের রিপোর্ট তার অনুকূলে নেয়ার জন্য সম্প্রতি হুমকি দিয়েছেন বলেও ডায়েরিতে অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক খাইরুল ইসলাম বলেন, তার সঙ্গে আমার ৬ মাসের অধিক সময় ধরে কথা হয়নি। যে তারিখের কথা উল্লেখ্য করা হয়েছে সেদিন আমি ও পরিবহন প্রশাসক একই সঙ্গে ছিলাম। অগ্রণী ব্যাংকের সামনে দেখেছি তাকে তবে তার সঙ্গে একটা অক্ষরও কথা হয়নি আমার।

তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে ফেল করিয়ে দেয়া, শ্লীলতাহানিসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠার পর থেকে যার তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ দেয়ার কাজ করছেন।

এছাড়া আল আমিন নামের ওই শিক্ষার্থী বলছেন, তিনি আমার শিক্ষক। তাকে কোনো মাধ্যমে হুমকি দেয়ার প্রশ্নই আসে না। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে বিভাগের ১৬ শিক্ষার্থীকে ফেল করিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠার পর সেটি চাপা দিতে এমনটি করছেন বলে দাবি তার।

সালমান শাকিল/এমএএস/পিআর

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com