ববিতে ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৩৮ এএম, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ছাত্রলীগের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-ভোলা সড়কে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটিবিহীন ছাত্রলীগ নেতা গণিত বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র শিফাত গ্রুপের প্রধান মহিউদ্দিন আহমেদ সিফাত এবং রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী ইমন-জিসান গ্রুপের রফিক হাওলাদার।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত প্রায় ৮ বছরে ছাত্রলীগের কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। তবে ছাত্রলীগের ব্যানারে প্রায় ক্যাম্পাসে মিছিল ও সমাবেশ হয়। সিফাত ও ইমন-জিসান গ্রুপের সদস্যরা নিজেদের ছাত্রলীগের নেতাকর্মী দাবি করে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে আসছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে সিফাত ও ইমন-জিসান গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এর আগেও ওই দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

পূর্ব বিরোধের জের ধরে রোববার রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে সিফাতকে পেয়ে হামলা চালায় ইমন-জিসান গ্রুপের সদস্যরা । এ সময় তারা সিফাতকে কুপিয়ে আহত করে। খবর পেয়ে শিফাতের অনুসারীরা পাল্টা হামলা চালিয়ে ইমন-জিসান গ্রুপের রফিক হাওলাদারকে কুপিয়ে আহত করে। পরে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে সংঘর্ষের ঘটনায় সিফাত ও ইমন-জিসান গ্রুপ একে অপরকে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করেছে।

আহত মহিউদ্দিন আহমেদ সিফাত জানান, রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিছু বুঝে উঠার আগেই মোটরসাইকেলে এসে কয়েকজন আমার ওপর হামলা চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গ্রুপ প্রভাব বিস্তার করার চেষ্ট চালিয়ে আসছে। তারাই হয়তো আমার ওপর হামলা চালিয়েছে।

আহত রফিক হাওলাদারের সহপাঠীরা জানান, সিফাতকে মারধরের অজুহাত তুলে রফিকের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু সিফাতের ওপর হামলার সময় রফিক সেখানে ছিলেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. সুব্রত কুমার দাস জানান, কয়েকজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের বাইরে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ মো. ফয়সাল জানান, মারামারির ঘটনা শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

সাইফ আমীন/এমএসএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]