শাবিতে ‘জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ’ পাচ্ছেন যারা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
প্রকাশিত: ১২:১৫ পিএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২০

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উচ্চশিক্ষায় গবেষণা সহযোগিতা প্রকল্প ‘জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ’ পাচ্ছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৬ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী। সম্প্রতি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভৌতবিজ্ঞান, জীব ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং খাদ্য ও কৃষিবিজ্ঞান এই তিন ক্যাটাগরিতে ফেলোশিপ পাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩ হাজার ২০০ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৪৮ জন এমফিল ও পিএইচডি গবেষকের ফেলোশিপ নবায়ন করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে থেকে জানা যায়, এ বছর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৬৬ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী এ ফেলোশিপ পাচ্ছেন। এদের মধ্যে ভৌতবিজ্ঞান ক্যাটাগরিতে ২৭ জন, জীব ও চিকিৎসাবিজ্ঞান ক্যাটাগরিতে ৩০ জন, খাদ্য ও কৃষিবিজ্ঞান থেকে ৫ জন। এছাড়াও সারাদেশে নবায়নকৃত ৪৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে শাবি থেকে রয়েছেন ৪ জন।

ভৌতবিজ্ঞান ক্যাটাগরিতে এ ফেলোশিপ পাচ্ছেন গণিত বিভাগের ফাহমিদা আফরোজ ও মো. আবুল হাসনাত, রসায়ন বিভাগের সুপ্রিম চন্দ্র সরকার, আলী মারুফ, মাহদিনা বেগম, মো. তারিকুল ইসলাম, আফনান বিন সিদ্দিকী, আবরার ইয়াসির আবির, মো. আসলাম শেখ, পূজা পাল, মো. তোহা, সুজন কুমার পাল, প্রত্যাশা কৈরী ও মো. শাহরিয়ার আহমেদ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ফারজানা শারমীন, ইশরাত জাহান সুহী, আহমেদ ইশতিয়াক, আবু হুরাইরা, মো. আতিকুল ইসলাম ও মো. রিফাত হায়দার, জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগের মুসসারাত তাবাচ্ছুম পিউলী, স্বর্ণালী ভট্টাচার্য ও তানবি তনয়া সরকার, পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. নোমান হোসেন ও নাঈম আহমেদ এবং সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তাহজিনা জেরিন আরিফা ও তাহমিদা নাহার চৌধুরী।

খাদ্য ও কৃষিবিজ্ঞান ক্যাটাগরিতে ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগের মো. শামিম রেজা শামিম, সঞ্চিতা বিশ্বাস, আকিব হাসান, শর্মিতা রহমান ও মো. বাদশা ফয়সাল।

জীব ও চিকিৎসাবিজ্ঞান ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়েছেন বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের আব্দুল্লাহ আল মামুন, সালমা আক্তার রিনা, জেসিয়া মুমতাহিনা হাফসা, মো. রাকিব মিয়া, নয়ন হোসেন মোল্লা, অপরাজিতা দাস তৃষা, এস এম কামরুজ্জামান, অনন্যা দত্ত মৌ, মো. মাহমুদুল হাসান, মেহেদী হাসান, মো. শোয়েব হাসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. আশিক ইমরান, মনিকা সিনহা, মো. আকিবুল হাসান, মো. আলী নেওয়াজ, রাবিব উল্লাহ কুদ্দুসী, মো. তাওহিদুল হাসান, শামিম মাহমুদ, মো. আরিফুল ইসলাম ও আরাফাত ইসলাম আশিক, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের তানজিনা জাহান, শাহরিয়ার আরেফিন, নুসরাত জাহান তমা, আসমা-উল তাসলীম, অমিত কুমার মন্ডল, প্রতিভা খান লতা, তানভীর মাহমুদ ও মো. মোবারক করিম এবং ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগের খন্দকার মো. রেজাউল করিম।

এদিকে ফেলোশিপের জন্য নবায়ন হওয়া ৪৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে শাবি থেকে ৪ জন মনোনীত হয়েছেন। তারা হলেন- সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম মো. মুন্না, গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সালাহ উদ্দিন, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. কামাল হোসেন ও বকুল কুমার চক্রবর্তী।

উল্লেখ্য, ১৯৭৭-১৯৭৮ অর্থবছর থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়/গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত/গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের এই অনুদান প্রদান করা হয়।

আরএআর/জেআইএম

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - [email protected]