নৈতিক আন্দোলনে ড. আনিসুজ্জামান ছিলেন সামনের সারির একজন

স্বাধীনতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

তিনি বলেছেন, ‘জাতির যেকোনো সংকটকাল ও দুর্যোগময় মুহূর্তে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের আন্দোলনে অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান ছিলেন সামনের সারির একজন নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিত্ব।’

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় এক শোক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

উপাচার্য বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের এমিরেটাস অধ্যাপক এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি ড. আনিসুজ্জামান ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদ, গবেষক, লেখক, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী। তিনি ছিলেন প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক চেতনার একজন অসাধারণ গুণী ব্যক্তি।’

তিনি বলেন, ‘৫২’র ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান অসাধারণ অবদান রেখে গেছেন। তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এবং ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে ড. কুদরত-এ-খুদা জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘জাতির যেকোনো সংকটকাল ও দুর্যোগময় মুহূর্তে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের আন্দোলনে অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান ছিলেন সামনের সারির একজন নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিত্ব। জাতির বাতিঘর হিসেবে পরিচিত অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে দেশ ও জাতির যে ক্ষতি হলো তা কখনই পূরণীয় নয়। দেশের শিক্ষা, শিল্প ও সাহিত্য অঙ্গনে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার পরিবারের শোক-সন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এফআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]