বিনামূল্যে একাডেমিক সমস্যার সমাধান দিচ্ছে ‘ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৫:৩৭ পিএম, ২১ এপ্রিল ২০২১

করোনায় বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ঘরে বসে চলছে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা। কেউ কেউ গৃহশিক্ষক দিয়ে কিছুটা লেখাপড়া চালিয়ে নিলেও সে সুযোগ বঞ্চিত অসংখ্য শিক্ষার্থী। পিছিয়ে পড়া সেই সব শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে বিনামূল্যে একাডেমিক সমস্যার সমাধান দিচ্ছেন একদল তরুণ।

ষষ্ঠ-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের যে কেউ যেকোনো একাডেমিক সমস্যার উত্তর খুঁজতে বিনামূল্যে সহযোগিতা দিচ্ছে ‘ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ’ নামের একটি সংগঠন। প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে (www.initiativebangladesh.org) গিয়ে যে কোনো প্রশ্ন সম্পর্কে জানতে পারবেন।

২০২০ সালের ২৯ জুলাই থেকে কার্যক্রম শুরু করে ইনিশিয়েটিভের সদস্যরা। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০ সদস্যের যুক্ত আছেন ইনিশিয়েটিভের সাথে। যাত্রা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ২০০ টিরও বেশি সমস্যার সমাধান বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের কাছে টেক্সট, ছবি, অডিও কিংবা ভিডিওর মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।

উদ্যোক্তা শিক্ষার্থীদের একজন মেলিতা মাধুর্য। তিনি বলেন, পুরো বিশ্ব যখন করোনার কালো থাবায় বিপর্যস্ত। শুরু হয় লকডাউন। স্বাভাবিক জীবন-যাপনে ঘটে ছন্দপতন। সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব পড়ে ঘর বন্দি হয়ে থাকা শিক্ষার্থী ও দেশের তরুণ সমাজের উপর। স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় তখন তাদের মনে জমতে থাকে পড়ালেখা সংক্রান্ত হাজারো রকমের প্রশ্ন আর সংশয়।

পড়তে বসে একজন শিক্ষার্থী নানান প্রশ্নের সম্মুখীন হন। অনেক ক্ষেত্রেই এসব প্রশ্নের উত্তর গুগল, ইউটিউবে পাওয়া যায় না। পাওয়া গেলেও বুঝতে পারেন না অনেক সময়। এর প্রেক্ষিতে সেইসব শিক্ষার্থীদের সাহায্যের প্রতিজ্ঞা নিয়েই ‘ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ’ এর যাত্রা শুরু ।

মেলিতা আরও জানান, বিশেষ করে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রতিটি বিষয়ের নানা সমস্যার সমাধান ও সংশয়পূর্ণ জায়গাগুলো সুষ্ঠুভাবে ব্যাখ্যা করা এবং এর মাধ্যমে ওইসব শিক্ষার্থীদের প্রতিটি বিষয়ে সমানভাবে পারদর্শী হতে সাহায্য করা আমাদের মূল লক্ষ্য।

এর সাথে যুক্ত আছেন ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের আলিফ, আহবাব আল মোহাম্মদ ছিদ্দিকী, ফুয়াদ আল ফাইয়াজ, দানিয়াল শময়ুন চৌধুরী, ইকরা মুশারাত হক, জুবাইর জাবির, মুফরাদ চৌধুরী, সোহায়লা রাইদা করিম আর নারজিস নুসাইবার, রাজশাহীর প্যারামাউন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রত্যুষ পান্ডের মতো নয় স্বপ্নদর্শী তরুণ।

এই উদ্যোগের সহযোগিতা করছে গ্রে ঢাকা ও হ্যালো ফিলমস।

সালমান শাকিল/আরএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]