‘১৫০ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেয়ার প্রচেষ্টা চলছিল’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৫:২৪ পিএম, ০৪ মে ২০২১

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেয়ার প্রচেষ্টা চলছিলো বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতি বিরোধী শিক্ষকরা। মঙ্গলবার (৪ মে) দুপুর ১২টায় ডিনস কমপ্লেক্সের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে দুর্নীতি বিরোধী শিক্ষকদের আহবায়ক অধ্যাপক ড. সুলতান উল ইসলাম টিপু অভিযোগ করেন, গতকাল সোমবার (৩ মে) ১৫০ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগের জন্য কাগজপত্র প্রস্তুত করা হয়। এসব কাগজপত্রে রেজিস্ট্রারকে স্বাক্ষর করার জন্য চাপ দেয়া হলে তিনি অস্বীকৃতি জানান।

তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি রেজিস্ট্রারের অস্বীকৃতির কারণে তার দফতরের এক কর্মকর্তাকে দিয়ে এসব কাগজপত্র স্বাক্ষরের চেষ্টা করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে দুর্নীতি বিরোধী শিক্ষকদের মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এক্রাম উল্লাহ, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. সফিকুন্নবী সামাদী, ইংরেজী বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. তারিকুল হাসান ও মজিবুল হক আজাদ খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আব্দুস সালামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেখানে সরকারি নিষেধাজ্ঞা আছে সেখানে নিয়োগের প্রশ্ন উঠে না।

এ ঘটনাকে গুজব দাবি করে রেজিস্ট্রার বলেন, এই গুজবের কারণে উপাচার্যকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে ফোন দিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। উপাচার্য আমার কাছে জানতে চেয়েছেন এই গুজব কারা ছড়াচ্ছে। আমি বলেছি আমি এমন কোনো তথ্য পাইনি।

এদিকে গত সোমবার (৩ মে) উপাচার্যের জামাইয়ের নেতৃত্বে বহিরাগত ক্যাডাররা সিনেটভবনের তালা ভেঙে সিন্ডিকেট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র বের করে নিয়ে আসে বলেও অভিযোগ করেছেন শিক্ষকরা।

এরআগে সকাল সাড়ে ১০টায় পূর্বনির্ধারিত সিন্ডিকেট সভা স্থগিত করা হয়েছে বলে ঘোষণা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আব্দুস সালাম।

সালমান শাকিল/আরএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]