নোয়াখালী কেন্দ্রের পরীক্ষা জবিতে, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৫:০৫ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০২১

'এ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা৷ রোববার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসেও গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে ভর্তি পরীক্ষায় এক কেন্দ্রের সিট অন্য কেন্দ্রে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

নোয়াখালী থেকে আসা এক শিক্ষার্থীর পিতা হাবিবুর রহমান বলেন, গুচ্ছ পদ্ধতি অনুযায়ী আমার মেয়ের কেন্দ্র নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিলেক্ট করেছি। কিন্ত কেন্দ্র পড়েছে ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। আজ ভোরে ঢাকা এসেছি, আবার এখন চলে যাবো। এতে আমাদের ভোগান্তি থেকেই গেল।

এছাড়াও কর্মদিবসে পরীক্ষা হওয়ায় কেন্দ্রে পৌঁছাতে অনেক শিক্ষার্থীকে পড়তে হয় যানজটে। রাজধানীর দনিয়া কলেজ থেকে আসা পরীক্ষার্থী তানিশা অভিযোগ করে বলেন, এত যানজট সহ্য করে পরীক্ষা দেওয়ার মানসিকতা থাকে না। এছাড়া এক বেঞ্চে তিনজন গাদাগাদি করে বসায় অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে।

নরসিংদী বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থী ইকরামুল ইসলাম জাহিদ বলেন, এই এলাকায় এত যানজট। বাস থেকে নেমে অনেক দূর হেঁটে এসেছি। আমি আমার আত্মীয়ের বাসা থেকে দুই ঘণ্টা আগে বের হয়েও যানজটের কারণে নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছাতে পারিনি।

জানা যায়, আজ পরীক্ষা কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে পরীক্ষার্থীরা প্রবেশ করেন। পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র খুঁজে দিতে সহায়তা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি, রেঞ্জার ইউনিট, রোভার স্কাউট ও প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা। দুপুর ১২টায় পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার, প্রক্টর, রেজিস্ট্রার সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলেন, আমরা পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেছি। কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

এ বিষয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. ইমদাদুল হক জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের কিছু প্রতিবন্ধকতা ছিলো। আগামী পরীক্ষাগুলোতে এ সকল প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

যানজট নিরসনে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, যানজটের কারণে পরীক্ষা শুরুর নির্দিষ্ট সময় পর কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে আসলে মানবিক দিক বিবেচনায় তার পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্র ভুল করে কেউ যদি আমাদের কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসেন, তাহলে তাদের পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

শান্ত রায়হান/কেএসআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]