অনশন ভাঙতে শিক্ষামন্ত্রীর ফের অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের ‘না’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক শাবিপ্রবি
প্রকাশিত: ০৫:৪৫ এএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২২

অডিও শুনুন

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) চলমান পরিস্থিতি নিরসনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ভার্চুয়ালি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবনের গ্যালারি কক্ষে জুম প্ল্যাটফর্মে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে অনশন ভেঙে আন্দোলন থেকে সরে আসতে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন শিক্ষামন্ত্রী। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষেও শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙার অনুরোধ করেছিলেন তিনি। তবে চলমান পরিস্থিতির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন।

এ বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। শিক্ষামন্ত্রীর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, এরইমধ্যে অনশনকারী ২৩ জনই অসুস্থ হয়েছেন। আমরা শিক্ষামন্ত্রীকে বিষয়টি অবহিত করেছি। অনশন ভেঙে আন্দোলন থেকে সরে আসার অনুরোধ করেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষার্থীরা আরও বেশি অবস্থান করলে অসুস্থতা আরও বাড়বে। তিনি আলোচনার ব্যাপারে প্রস্তুত রয়েছেন বলেও শিক্ষার্থীদের জানিয়েছেন।

গত ১৩ জানুয়ারি থেকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিও সামনে আসে আন্দোলনে।

গত রোববার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে তিন দফা দাবি আদায়ে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। পুলিশ ৩০০ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

১৯ জানুয়ারি বিকেলে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে তার বাসভবনের সামনে আমরণ অনশন শুরু করে ২৩ জন শিক্ষার্থী। একই দাবিতে পরদিন বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কয়েকশো শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল বের করেন। অনশনে অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এছাড়া বাকিদের স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে।

এমআরআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]