ভিসির জন্য আনা খাবার পুলিশ দিয়ে পাঠালেন আন্দোলনকারীরা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক শাবিপ্রবি
প্রকাশিত: ০৭:০১ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২২
শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের

তৃতীয়দিনের মতো নিজ বাসভবনে অবরুদ্ধ রয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরের পর উপাচার্য ও তার পরিবারের জন্য খাবার নিয়ে মূল ফটকে প্রবেশ করতে চাইলে শিক্ষার্থীরা ফিরিয়ে দেন। পরে পুলিশকে দিলে সে খাবার ভেতরে নেওয়া হয়।

এ সময় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. তুলসী কুমার দাশ, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আশরাফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মহিবুল আলমসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক বিভিন্ন ধরনের খাবার নিয়ে উপাচার্যের বাসভবনে প্রবেশ করতে যান। তখন বাসভবনের মূল ফটকের সামনে ব্যারিকেড দিয়ে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা বাধা দেন। পরে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে শিক্ষকদের দেওয়া প্রস্তাবেও রাজি হয়নি শিক্ষার্থীরা।

এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় উপাচার্য ও তার পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খাবার ও ওষুধ নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে শিক্ষকদের ফিরিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা।

jagonews24

উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে গত বুধবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল তিনটা থেকে ২৪ শিক্ষার্থী আমরণ অনশন শুরু করেন। এর মধ্যে অনশনকারী এক শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্য অসুস্থ হওয়া অনশন ভেঙে বাড়ি ফিরে গেছেন। পরে রোববার অনশনরত স্থানে নতুন করে আরও পাঁচ শিক্ষার্থী যোগ দেন।

গত ১৩ জানুয়ারি থেকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিও সামনে আসে।

এরপর ১৬ জানুয়ারি বিকেলে তিন দফা দাবি আদায়ে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। পুলিশ ৩০০ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

 

মোয়াজ্জেম আফরান/আরএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]