যবিপ্রবির জনসংযোগ শাখার উপ-পরিচালক বরখাস্ত

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক যবিপ্রবি
প্রকাশিত: ১০:০১ পিএম, ২৪ মে ২০২২
যবিপ্রবি জনসংযোগ শাখার উপ-পরিচালক হায়াতুজ্জামান মুকুল

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত কাজে অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করার অভিযোগ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) রেজিস্ট্রার দপ্তরের জনসংযোগ শাখার উপ-পরিচালক মো. হায়াতুজ্জামান মুকুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মে) যবিপ্রবি রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

অফিস আদেশে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের জনসংযোগ শাখার উপ-পরিচালক মো. হায়াতুজ্জামানের বিরুদ্ধে নিয়োগ সংক্রান্ত কাজে অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সাধারণ আচরণ, শৃঙ্খলা ও আপিল সংক্রান্ত বিধি মোতাবেক তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি চাকরি পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার নিয়ম হলো পরীক্ষার্থীরা যদি লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় তাহলে তাদেরকে ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় চাকরিপ্রার্থীদের মুঠোফোন বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেওয় হয়। কিন্তু হঠাৎ একজন চাকরিপ্রার্থীকে মুঠোফোনে কথা বলতে দেখেন একজন পরীক্ষা পরিদর্শক। পরিদর্শক ফোনটি নিয়ে নম্বর চেক করে দেখেন চাকরিপ্রার্থীর ফোনের অপরপ্রান্তে রয়েছেন যবিপ্রবির জনসংযোগ শাখার উপ-পরিচালক হায়াতুজ্জামান মুকুল।

উপাচার্য বলেন, পরীক্ষা পরিদর্শকরা প্রার্থীর মুঠোফোনের কল রেকর্ডটি উদ্ধার করে তৎক্ষণাৎ ওই প্রার্থীর পরীক্ষা বাতিল করা হয়। মুঠোফোনের রেকডিংয়ে ও পরবর্তীকালে চাকরিপ্রার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদে এমনকিছু তথ্য উঠে আসে যাতে করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ওই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে।

অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, রেকর্ডিং ও প্রার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে বোঝা যায়, এখানে প্রার্থীর সঙ্গে ওই কর্মকর্তার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর রিজেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমআরআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]