রাবি ছাত্রকে মারধর: ছাত্রলীগের ৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৩:০২ এএম, ২৫ জুন ২০২২

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মধ্যরাতে মারধর করে রুম থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা শামীম হোসেনসহ দুইজনেক হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে হল প্রশাসন। এছাড়া শামীম হোসেনের অনুসারী তাসকীফ আল তৌহিদকে হল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘটনা ক্ষতিয়ে দেখতে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুন) রাতে নবাব আব্দুল লতিফ হলের প্রাধ্যক্ষ এইচ এম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শুক্রবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় এক জরুরি সভা করে হল প্রশাসন। সভায় আবাসিক শিক্ষকদের নিয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। ড. মো. হামিদুল ইসলামকে আহ্বায়ক, ড. অনিক কৃষ্ণ কর্মকার ও ড. মো. আব্দুল কাদেরকে সদস্য করে এ কমিটি গঠন করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেনের অনুসারী তাসকীফ আল তৌহিদ মারধরের ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকায় তাকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

এদিকে সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম হোসেনের শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ায় ও পারভেজ হাসান জয় বঙ্গবন্ধু হলের নিবন্ধিত ছাত্র হওয়ায় তাদের অতিদ্রুত হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় হল প্রশাসন। একই সঙ্গে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাধ্যক্ষ এইচ এম মাহবুবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, মধ্যরাতে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটায় রাতে হলের আবাসিক শিক্ষকদের নিয়ে জরুরি মিটিংয়ে বসি। সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন অবৈধভাবে এই হলে থাকতেন, যে কারণে তাকে বহিষ্কার করার সুযোগ নেই। সেজন্যে তাকে ও পারভেজ হাসান জয়কে
দ্রুত হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকায় এক ছাত্রলীগকর্মীকে হল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কারও করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নবাব আব্দুল লতিফ হলের আবাসিক ও রসায়ন বিভাগের দ্বিতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী মুন্না ইসলামকে মারধর করে বিছানাপত্র বাইরে ছুড়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে অত্র হলের শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে। হলটির ২৪৮ নম্বর কক্ষে থাকতেন মুন্না। এর পরিপেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর হলের সামনে অবস্থান নেন।

মনির হোসেন মাহিন/ইএ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]