চবি ছাত্রলীগের ৪ নেত্রীর হাতাহাতি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক চবি
প্রকাশিত: ০৫:০১ পিএম, ১২ আগস্ট ২০২২

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের চার নেত্রীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় তারা হল প্রভোস্টের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

ছাত্রলীগের উপ-স্কুলছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও সংস্কৃত বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিমা আরা শিমু, উপ-ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক ও মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাজমুন নাহার ইষ্টি, ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের উপ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তাসফিয়া জাসারাত নোলক এবং নাট্যকলা বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের উপ-কৃষিশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদকের মধ্যে এ হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

হল সূত্রে জানা যায়, সাজমুন নাহার ইষ্টি ও তার রুমমেট নির্জনা ইসলাম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলের ২০৩ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে তাসফিয়া নোলক ২০৩ নম্বর কক্ষে ঢুকলে তাকে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করতে নিষেধ করেন ইষ্টি। পরে নির্জনা ও নোলক উভয়ে সাজমুন নাহার ইষ্টির সঙ্গে তর্কে জড়ায়।

নির্জনার মা ও নোলকের বাবাকে এ বিষয়ে জানায় সাজমুন নাহার ইষ্টি। পরে বাবাকে ঘটনা জানানোর কারণে তাসফিয়া নোলক রাত ১০টার দিকে পুনরায় ২০৩ নম্বর কক্ষে এসে ইষ্টির সঙ্গে তর্কে জড়ান। এ সময় পাশের কক্ষে থাকা সীমা আরা শিমু তাদের থামানোর চেষ্টা করলে তাসফিয়া নোলক শিমুকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এরপর উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয়।

একপর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হলে সিমা আরা শিমুর অনুসারীরা তাসফিয়া জাসারাত নোলকের বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। পরে হল প্রভোস্ট ও প্রক্টরিয়াল বডির আশ্বাসে তারা হলে ফিরে যান।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন আগে মাদকদ্রব্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের পাশ থেকে রাত ১২টার দিকে তাসফিয়া জাসারাত নোলককে হাতেনাতে ধরে প্রক্টরিয়াল বডি। পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত তাসফিয়া জাসারাত নোলককে কল করলে তিনি ফোন কেটে দেন। ভুক্তভোগী সাজমুন নাহার ইষ্টিও ফোন রিসিভ করেননি।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম সোহেল জাগো নিউজকে বলেন, ২০৩ নম্বর কক্ষে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তাকে হল থেকে চলে যেতেও হতে পারে।

রোকনুজ্জামান/এসআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।