ঢাবিতে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের মানববন্ধন

পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে এবং জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারকে পার্বত্য চট্টগ্রামে অবাধ প্রবেশাধিকার প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন করেছে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদসহ চারটি সংগঠন।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন- বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, হিল উইমেন্স ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম এবং ইউনাইটেড ওয়ার্কার্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের নেতাকর্মীরা। এতে সভাপতিত্ব করেন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক জিকো ত্রিপুরা।

মানববন্ধনে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের নেত্রী রূপসী চাকমা বলেন, ‘ভাগ কর, শাসন কর’ নীতিতে দেশ চালাচ্ছে সরকার। প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী সৃষ্টি করে প্রগতিশীলদের দমন করার জন্যই সরকার ভাগ কর শাসন কর নীতি অনুসরণ করছে। কারণ যারা অন্যায়ের প্রতিবাদে প্রতিনিয়ত রাজপথে নামে, প্রতিক্রিয়াশীলদের মাধ্যমে তাদের দমন করা খুব সহজ। এভাবেই ক্ষমতার মসনদ মজবুত করতে ভাইয়ে ভাইয়ে শত্রুতার সৃষ্টি করছে সরকার।

বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক শুভাশীষ চাকমা বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় পার্বত্য চট্টগ্রামে। সরকারও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি এখানে মানবাধিকার নিশ্চিত করতে। উপরন্তু জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারকে পার্বত্য চট্টগ্রামে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। কারণ তিনি সেখানে গেলে সরেজমিনে সরকারের গোমর ফাঁস হয়ে যাবে।

ইউনাইটেড ওয়ার্কার্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের নেতা প্রমোদ জ্যোতি চাকমা বলেন, সরকার কি পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো অঞ্চল মনে করে? পার্বত্য চট্টগ্রামে কেন বাংলাদেশি ভিসা নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না? কারণ স্পষ্ট। সরকারের ছত্রছায়ায় সেনাবাহিনী কর্তৃক চালানো অত্যাচার ধরা পড়ে যাবে জাতিসংঘের কাছে। এটা আড়াল করতেই এতোসব আয়োজন।

মানববন্ধনে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদেকুল ইসলাম সোহেল, ছাত্র ইউনিয়নের নেতা শুভ রায়সহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আল-সাদী ভূঁইয়া/আরএডি/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।