ইবিতে ভর্তিচ্ছুদের সহায়তায় ‘জয় বাংলা বাইক সার্ভিস’

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা দিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন ফাহাদ। কিন্তু রাস্তায় জ্যামে আটকে অনেকটা সময় লেগে যায়। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ৫ মিনিট আগে পৌঁছান ক্যাম্পাসে। হেঁটে কেন্দ্রে যেতে আরও ৫-১০ মিনিট প্রয়োজন। এ সময় তার সহায়তায় পাশে দাঁড়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ‘জয় বাংলা বাইক সার্ভিসের’ রাইডাররা।

শুধু ফাহাদ নন শনিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত চলা ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের এই বাইক সার্ভিস দেওয়া হয়।

ফাহাদ বলেন, ‘এমন সুবিধা সব বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজন। এতে করে আমাদের মতো ভর্তিচ্ছুরা অপরিচিত ক্যাম্পাসে এসে বিড়ম্বনায় পড়বে না।’

বাইক সার্ভিস দেওয়া রাইডার ও শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশনায় আমরা আজ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় বাইক সার্ভিসসহ নানারকম সেবামূলক কাজ করছি। তাদের পাশে থাকতে পেরে নিজের কাছে খুবই ভালো লাগছে। যদি এরা ভর্তির সুযোগ পায় তাহলে হয়তো সারাজীবন ছাত্রলীগের এমন সহযোগিতার কথা মনে রাখবে। এটাই বড় প্রাপ্তি, ওদের স্বপ্ন পূরণে সহযোগিতা করতে পারছি।’

এছাড়াও বিভিন্ন পয়েন্টে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় জরুরি মেডিকেল সেবা, অভিভাবকদের বসার জন্য অভিভাবক কর্নার, স্যালাইনের ব্যবস্থা, প্রাথমিক চিকিৎসাকেন্দ্র গঠন এবং মাস্ক, কলম ও পানি সরবরাহ করছেন শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

ছাত্রলীগের এ ধরনের কার্যক্রমে খুশি আগত অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। মাগুরা থেকে আগত এক অভিভাবক শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়ের পরীক্ষা। তাই খুব সকালে রওনা দিলাম ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে। পথে চিন্তায় ছিলাম কীভাবে কী করবো, বসবো কোথায়। সিট খুঁজবো কীভাবে। এসে দেখলাম মেইন গেটের সামনে বসার সুন্দর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ছাত্র সংগঠনগুলোর এমন উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে, তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় বলেন, আজ নানাভাবে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করেছি। তাদের পাশে সবসময় ছাত্রলীগ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, পুরো ক্যাম্পাসে মোট পাঁচটি মোটরসাইকেল নিয়ে আজ এ ‘জয় বাংলা বাইক সার্ভিস’ দেওয়া হয়েছে। সামনের দিনে আরও বাড়িয়ে এই সহযোগিতা চলমান থাকবে।

রুমি নোমান/এসজে/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।