বঙ্গবন্ধু ও ঢাবির মৌলিক দর্শনে অসাধারণ মিল আছে: উপাচার্য

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন ঢাবি উপাচার্য/ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ঢাবির মৌলিক দর্শনগুলোর মধ্যে কিছু অসাধারণ মিল রয়েছে। বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও ঢাবি আলাদা শব্দ হলেও একই সূত্রে গাঁথা।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাবির নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের অ্যালামনাই ফ্লোরে 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার' শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ঢাবি উপাচার্য আরও বলেন, সত্তরের দশকে দেখা বঙ্গবন্ধুর অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক। বর্তমান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ নির্মাণের চেষ্টা করছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভুমিকা রাখায় বাংলাদেশ ভূয়সী প্রশংসা পাচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ বলেন, কর্ণেল ফারুক নিজে বিবিসিতে সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ১৯৭৫ সালের মার্চ ও এপ্রিলে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তিনি দুদফা বৈঠক করেন।

‘বৈঠকে জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, আমি একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, আমি এটা করতে পারি না। তবে তোমরা যদি করতে পারো, তবে গো অ্যাহেড। আমি তোমাদের সঙ্গে আছি। জিয়াউর রহমান যদি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডে জড়িত নাই খাকতেন তাহলে হত্যাকারীদের বাঁচাতে ইনডেমনিটি আইন কেন করেছিলেন?’

তিনি আরও বলেন, শুধু কিছু বিপথগামী সেনা কর্মকর্তাই নন, বঙ্গবন্ধু হত্যার প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকও জড়িত ছিলেন।

ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ।

এ সময় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক ক্রিকেটার রকিবুল হাসান, ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ, সাবেক মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধু, শেখ কামাল, শেখ হাসিনাসহ মুজিব পরিবারের সঙ্গে তাদের বিভিন্ন স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

আল-সাদী ভূঁইয়া/এসএএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।