শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ঢাবিতে বিজ্ঞান-তথ্যপ্রযুক্তি কর্মশালা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:২০ পিএম, ০৬ অক্টোবর ২০২২
ঢাবির বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শিক্ষা উপমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি কর্মশালা হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কার্যকরী প্রয়োগের মাধ্যমে মননশীল শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা ও কর্মমুখী করার লক্ষ্যে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) সকালে ঢাবি সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে ছাত্রলীগ এ কর্মশালার আয়োজন করে।

এ কর্মসূচির উদ্যোক্তা ছাত্রলীগের উপ-বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার হাবিব আহসান এ কর্মশালা সঞ্চালনা করেন। ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

প্রধান আলোচকের বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আফতাব আলী শেখ।

শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ঢাবিতে বিজ্ঞান-তথ্যপ্রযুক্তি কর্মশালা

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- রকমারি ডটকমের প্রধান নির্বাহী মাহমুদুল হাসান সোহাগ, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক সাদুন মোস্তফা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা কীভাবে ফ্রিল্যান্সিং ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সিতে (আই) নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে দেশকে সমৃদ্ধ করবে তা নিয়ে আলোচনা করতে আজকের এ আয়োজন।

‘একটি দেশের ৯৯ শতাংশ শিক্ষার্থী কর্মমুখী হবেন আর ১ শতাংশ হবেন গবেষক। তাই কোনো সেক্টরে দক্ষতা অর্জন না করলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়।’

তিনি বলেন, বাংলার ছাত্র হয়েও কীভাবে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নিজেকে দক্ষ করা যায়, উদ্যোক্তা হওয়া যায় তার একটি বড় উদাহরণ টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার। তিনি বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার ‘বিজয় ৫২’র জনক। আলি বাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা সহ বিশ্বের বড় বড় অনেক উদ্যোক্তাই ছিলেন সাহিত্যের ছাত্র।

ব্যারিস্টার নওফেল আরও বলেন, শুধু আইডিয়া দিয়ে উদ্যোক্তা হওয়া যায় না, বাজারের চাহিদা নিরুপণ করতে হয়। আজকাল বিজ্ঞান নিয়েও সংকীর্ণ মানসিকতা দেখা যায়। যারা এমন করেন, তারা প্রচণ্ড সাম্প্রদায়িক ও প্রগতির বিরুদ্ধে।

শিক্ষার্থীদের আরবি ভাষাসহ সব ভাষাশিক্ষার প্রতি আগ্রহ যোগাতে উপমন্ত্রী বলেন, আরবি ভাষা শুধু মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভাষা নয়। তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে আমরা ভাষাশিক্ষার উন্মুক্ত পরিসর নিয়ে চিন্তা করবো।

শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ঢাবিতে বিজ্ঞান-তথ্যপ্রযুক্তি কর্মশালা

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান অনেক নেতাই বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ পাচ্ছেন। তারা আমাদের রোল মডেল, তাদের দায়িত্ব আমাদের বর্তমান ছাত্রদের দেখভাল করা।

অনুষ্ঠানের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, তরুণ প্রজন্মকে জানিয়ে দিতে চাই, বাংলাদেশ আর পিছিয়ে নেই। তারেক জিয়া যে পিছিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের গল্প শোনাতে চান, সে বাংলাদেশকে আর কখনো খুঁজে পাওয়া যাবে না।

অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা খন্দকার হাবিব আহসান বলেন, একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লব সফল করতে হলে শেখ হাসিনার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে কাজে লাগাতে হবে। ছাত্রলীগের ৫০ লাখ নেতাকর্মীকে শুধু মিছিলে বা সামাজিক কাজে নয়, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিতেও কর্মদক্ষ হতে হবে।

অনুষ্ঠানে ঢাবি ছাত্রলীগের বিভিন্ন হল শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আল-সাদী ভূঁইয়া/এসএএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।