জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজাপতি মেলায় শিশুদের ভিড়

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জাবি
প্রকাশিত: ০৮:৫৯ পিএম, ০২ ডিসেম্বর ২০২২

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দিনব্যাপী প্রজাপতি মেলা শেষ হয়েছে। শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেলার উদ্বোধন করেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক।

এ সময় মেলার আহ্বায়ক অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মনিরুল হাসান খান, পাখি গবেষক অধ্যাপক কামরুল হাসান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উপ-উপাচার্য বলেন, প্রজাপতি শুধু প্রকৃতিতে সৌন্দর্য যোগ করেনি এটি পরাগায়নের মাধ্যমে ফুল ফোটাতে ও ফল উৎপাদনে সাহায্য করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ দীর্ঘদিন ধরে প্রজাপতি সংরক্ষণে সচেতনতায় কাজ করছে। এটা খুবই প্রশংসনীয়। প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় প্রজাপতির গুরুত্ব অপরিসীম।

মেলার আহ্বায়ক অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন বলেন, একটা সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১০ প্রজাতির প্রজাপতি পাওয়া যেত। দিনদিন প্রজাপতির প্রজাতি সংখ্যা কমছে। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫২টি প্রজাতির দেখা যায়। প্রজাপতি তথা জীববৈচিত্র্য রক্ষার এখনই সময় পদক্ষেপ নেওয়া। একাজে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রজাপতি থাকলে প্রকৃতি থাকবে। আর প্রকৃতি থাকলে আমরা থাকবো।

অধ্যাপক মনোয়ার আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ কাজ চলছে। গাছপালা কাটা হচ্ছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি ক্যাম্পাসের একটি নিদিষ্ট জায়গাকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হোক। তা না হলে একটা সময় আসবে যখন আমরা আর প্রজাপতি দেখতে পাবো না এ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

মেলায় শিশু-কিশোরদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মেলায় অংশ নিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিভাবকের সঙ্গে আসে তারা। মেলায় শিশু-কিশোরদের জন্য প্রজাপতি চেনা, প্রজাপতির আদলে তৈরি ঘুড়ি উড়ানো, পাপেট শো, ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী, প্রজাপতি বিষয়ক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

২০১০ সাল থেকে জাবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের কীটতত্ত্ব বিভাগ মেলার আয়োজন করে আসছে। এটি মেলার ১২তম আসর।

মাহবুব সরদার/আরএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।