কারখানা বন্ধ : গেট থেকে ফিরে গেলেন শ্রমিকরা


প্রকাশিত: ০৫:২৭ এএম, ২১ ডিসেম্বর ২০১৬

বিজিএমইএ`র ঘোষণার পর আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের অধিকাংশ কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে। কারখানা বন্ধ পেয়ে বুধবার সকালে প্রধান ফটক থেকে ফিরে গেছেন শ্রমিকরা। তবে র‌্যাব ও পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন থাকায় কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা ঘটেনি।

ন্যুনতম মজুরি ১৫ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে টানা ৮ দিন উৎপাদন বন্ধ রেখে কারখানা থেকে বেরিয়ে যান এই শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকরা।

পরে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শ্রমিকদের আন্দোলনকে অবৈধ উল্লেখ করে পোশাক রফতানি কারকদের সংগঠন বিজিএমইএ আশুলিয়া এলাকার ৫৫টি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন।

বুধবার সকালে সরেজমিনে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের জামগড়া এলাকায় গিয়ে অধিকাংশ কারখানার প্রধান ফটকে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেখা গেছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, শ্রমিকদের অবৈধ কর্মবিরতি পালনের কারণে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩ (১) মোতাবেক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।
 
শেড ফ্যাশনের সুইং অপারেটর জামিলা বেগম (৪০) বলেন, সকালে কারখানায় যাইয়া গেট বন্ধ পাইছি। পুলিশ কারখানার সামনে বেশীক্ষণ থাকতে দেয় নাই। তারপর বাসায় চলে আসছি।

দি রোজ ড্রেসেস লিমিটেডের শ্রমিক সাহিদা (২৫) বলেন, কারখানার সামনে নোটিশ দেখেই কারখানা থেকে ফিরে এসেছি। এখন বাসায় বসে থাকা ছাড়া আর কী করবো।
 
এ বিষয়ে আশুলিয়া শিল্প পুলিশের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
 
সাভার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান ফিরোজ বলেন, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। কোথাও কোনো অপৃতিকর ঘটনা ঘটেনি। আশা করছি কয়েকদিনের মধ্যেই সমস্যার সমাধান হবে।

তিনি বলেন, আন্দোলনটির উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি এখনও। আমরা এ ব্যাপারে তদন্ত করছি। তবে ব্যাপারটি আসলে এমন অবস্থায় তৈরি হয়েছে যে, অন্য ফ্যাক্টরির শ্রমিকরা আন্দোলন করছে, আমরাও করি। এটি পুরোটি আসলে একটি গুজব। অতীতেও এমন পরিস্থিতি হলে আমরা সেটি মোকাবিলা করেছি। কিছুদিনের মধ্যে এই পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছি।

আল-মামুন/এফএ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]