বরিশালের ২৩ কলেজের শিক্ষকদের কর্মবিরতি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বরিশাল
প্রকাশিত: ০৯:৩২ এএম, ২৬ নভেম্বর ২০১৭
বরিশালের ২৩ কলেজের শিক্ষকদের কর্মবিরতি

‘বিসিএস ছাড়া ক্যাডার সার্ভিস নয়’ এই দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছে বরিশাল বিভাগের ২৩টি সরকারি কলেজের ৮০০ শিক্ষক।

দুই দিনব্যাপী কর্মবিরতির অংশ হিসেবে রোববার প্রথম দিন সকাল ৯টা থেকে কর্মবিরতি শুরু হয়। আজকের কর্মবিরতি চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

এদিকে, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই কর্মবিরতির ফলে ২৩টি সরকারি কলেজের নিয়মিত ক্লাস, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বিভিন্ন পরীক্ষা, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। কর্মসূচি চলাকালে বরিশালের আশপাশের বিভিন্ন সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষকরা বিএম কলেজে অবস্থান নেন।

ক্লাস এবং পরীক্ষা বন্ধ থাকায় বিভাগের ২৩টি সরকারি কলেজের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে এসে অলস সময় কাটিয়ে ফিরে গেছেন। একইভাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বহু সেবাপ্রত্যাশী অফিসে গিয়ে কাজ সম্পন্ন করতে না পেরে নিরাশ হয়ে ফিরে গেছেন। এতে এক ধরনের অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আগামীকাল সোমবার দ্বিতীয় দিনও সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করবে বিসিএস শিক্ষকরা।

জাতীয়করণকৃত ২৮৩টি কলেজের শিক্ষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন ও জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ এর আলোকে ক্যাডার বহির্ভূত করে আগামী ১৬ নভেম্বরের মধ্যে স্বতন্ত্র বিধিমালা জারির দাবি জানিয়েছেন কর্মবিরতিরত শিক্ষকরা।

বিসিএস শিক্ষা সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও বিএম কলেজ অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আক্তারুজ্জামান জানান, দুই দিনব্যাপী কর্মবিরতির পরও দাবি আদায় না হলে আগামী ৬, ৭ ও ৮ জানুয়ারি ৩ দিনব্যাপী কর্মবিরতি পালন করা হবে। একই সঙ্গে ক্যাডারভুক্ত করে নতুন কোনো কলেজ জাতীয়করণ করা হলে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দেন এই শিক্ষক নেতা।

এর আগে একই দাবিতে গত ১১ নভেম্বর বরিশাল বিএম কলেজে বিভাগীয় সমাবেশ করে বিসিএস শিক্ষা সমিতি। এছাড়া ২২ অক্টোবর বরিশাল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিসিএস শিক্ষা সমিতির নেতারা তাদের দাবি তুলে ধরে সবার সমর্থন কামনা করেন।

সাইফ আমীন/এএম/আইআই