রংপুরে খাদেম হত্যা মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক রংপুর
প্রকাশিত: ০৪:০৯ পিএম, ২৮ জানুয়ারি ২০১৮

রংপুরের কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। রোববার দুপুরে রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার ১১ জন আসামির উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

এর আগে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জঙ্গিদের আদালতে নিয়ে আসা হয়। শুনানি শেষে আগামী ৩১ জানুয়ারি পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন বিচারক।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষ্যগ্রহণের প্রথম দিন রোববার মামলার বাদী ও নিহত রহমত আলীর ছেলে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম, ভাতিজা অ্যাডভোকেট ফেরদৌস ইসলাম, স্ত্রী রওশনারা বেগম, গ্রামবাসী আব্দুল হক, সাজেদা বেগম, আব্দুল জলিল, মনোয়ারা বেগম, আব্দুল কাদের, বাছের আলী এবং মোত্তালেব হোসেন সাক্ষ্য প্রদান করেন।

বিশেষ জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট রথিশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনা জানান, চাঞ্চল্যকর এ মামলায় পুলিশ এ পর্যন্ত ১১ জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে। দুই জঙ্গি এখনও পলাতক রয়েছে। রোববার শুনানি শেষে বিচারক আগামী ৩১ জানুয়ারি পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।

কারাগারে আটক জঙ্গিরা হলেন- জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মন্ত্রী, ওই জঙ্গি সংগঠনের সদস্য এছাহাক আলী, লিটন মিয়া ওরফে রফিক, আবু সাঈদ, সাখাওয়াত হোসেন, তৌফিকুল ইসলাম, সরওয়ার হোসেন ওরফে সাবু, সাদাত ওরফে রতন, জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজিব, বাবুল আখতার ও বিজয় ওরফে আলী ওরফে দর্জি।

মামলার পলাতক আসামিরা হলেন- নজিবুল ইসলাম ও চান্দু মিয়া। এদের মধ্যে মাসুদ রানা, এছাহাক আলী, লিটন মিয়া ও সাখাওয়াত হোসেন চাঞ্চল্যকর জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা, পল্লী চিকিৎসক ও মাজারের খাদেম রহমত আলী বাজার থেকে বাসায় ফেরার পথে তাকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় নিহতের ছেলে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ৩ অক্টোবর কাউনিয়ার আলুটারী গ্রামে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন।

জিতু কবীর/আরএআর/আইআই