১৫ জেলায় ট্যাংক-লরি ধর্মঘট মঙ্গলবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক খুলনা
প্রকাশিত: ০৯:৫৩ এএম, ০২ এপ্রিল ২০১৮ | আপডেট: ০৯:৫৪ এএম, ০২ এপ্রিল ২০১৮
১৫ জেলায় ট্যাংক-লরি ধর্মঘট মঙ্গলবার
ছবি-ফাইল

খুলনা-যশোর মহাসড়ক মেরামতের দাবিতে খুলনাসহ ১৫ জেলায় ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে জ্বালানী তেল পরিবেশক ও ট্যাংক-লরি মালিক সমিতি। আগামীকাল মঙ্গলবার তেল পরিবহন বন্ধ রেখে এ ধর্মঘট পালন করা হবে।

রোববার মহানগরীর কাশিপুরস্থ কার্যালয়ে খুলনা বিভাগীয় জ্বালানী তেল পরিবেশক ও ট্যাংক-লরি শ্রমিক মালিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় জ্বালানী তেল পরিবেশক সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, খুলনা বিভাগীয় জ্বালানী তেল পরিবেশক সমিতির সভাপতি সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল, ট্যাংক-লরি মালিক সমিতির সহসভাপতি এম মাহবুব আলম, খুলনা বিভাগীয় জ্বালানী তেল পরিবেশক সমিতির সহ-সভাপতি মোড়ল আব্দুস সোবাহান, ট্যাংক-লরি খুলনা বিভাগীয় মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরহাদ হোসেন, খুলনা বিভাগীয় জ্বালানী তেল পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মুরাদ হোসেন, ট্যাংক-লরি খুলনা বিভাগীয় মালিক সমিতির সহ-সভাপতি শেখ মিরাউল ইসলাম, পদ্মা-মেঘনা-যমুনা শ্রমিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি সুলতান মাহমুদ পিন্টু, সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম কালু, ট্যাংক-লরি শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা মো. নুর আলম, মো. আল আমিন, মো. মাসুম, মো. সোহেল মীর প্রমুখ।

মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরহাদ হোসেন জানান জানান, খুলনা-যশোর রোড গাড়ি চলাচলের অযোগ্য। রাস্তার খানা খন্দে পড়ে প্রতিদিন নানা দুর্ঘটনায় পড়ে ট্যাংক-লরির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। চালকরা এখন আর গাড়ি চালাতে চায় না। এ রাস্তাটি প্রায় দু’বছর ধরে ভাঙ্গা, খানা খন্দ হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

খুলনা বিভাগীয় জ্বালানী তেল পরিবেশক সমিতির সভাপতি সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল অভিযোগ করে বলেন, এ রাস্তা দিয়ে সহন ক্ষমতারও দ্বিগুন এমনকি তিনগুন লোড নিয়ে পরিবহন চলাচল করেছে। যার কারণে সড়কটির চরম বেহাল দশা হয়েছে। রাস্তা মেরামত করা না হলে, বর্ষা মৌসুমে স্থায়ীভাবে ট্যাংক-লরিসহ সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

তিনি জানান, রাস্তাটির বর্তমান ভয়াবহ অবস্থার কারণে বৈঠকে আগামী ৩ এপ্রিল রাস্তা সংস্কারের দাবিতে জ্বালানী তেল উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

আলমগীর হান্নান/এফএ/জেআইএম