রাসিকের নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী
প্রকাশিত: ০৯:৩০ পিএম, ১১ জুলাই ২০১৮ | আপডেট: ০৯:৩৩ পিএম, ১১ জুলাই ২০১৮

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার বিকেলে ধানের শীষের প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের পক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তার দফতরে এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। বুলবুলের নির্বাচনী সমন্বয়ক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তোফাজ্জাল হোসেন তপু এ অভিযোগ দেন।

লিখিত এ অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ৯ ও ১০ জুলাই নৌকা প্রতীকের কর্মীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে ১৩ নং ওয়ার্ডে শহীদ নজমুল হক উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে থেকে বর্নালির পেছনের মোড় পর্যন্ত রাস্তায় ধানের শীষ প্রতীকের কোনো প্রকার ফেস্টুন ও পোস্টার লাগাতে দেয়া হয়নি। পুলিশের উপস্থিতিতেই ধানের শীষের কর্মীদের লাঞ্ছিত করেছে নৌকার প্রতীকের কর্মীরা।

এর আগে ৯ জুলাই রাত ৮টার দিকে নগরীর ৪ নং ওয়ার্ড বহরমপুর (বুলনপুর) এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের ফেস্টুন ও পোস্টারবাহী পিকাআপে হামলা চালায় নৌকা প্রতীকের কর্মীরা। ভাঙচুর চালানো হয় পিকআপটি। নষ্ট করে দেয়া হয় ধানের শীষের প্রচারপত্র।

১০ জুলাই ২০ নং ওয়ার্ডে বেলদারপাড়ায় ধানের শীষ প্রতীকের ফেস্টুন ভাঙচুর এবং পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে নৌকার প্রতীকের কর্মীরা। ওই দিন রাতে নগরীর বালিয়াপুকুর মোড় হইতে রুয়েট ও ভদ্রার মোড় পর্যন্ত ধানের শীষ প্রতীকের ফেস্টুন ও পোস্টার খুলে নেয়া হয়।

Rajshahi

ওই রাতেই নগরীর অলকার মোড় হইতে আলুপট্টির, রাজশাহী সিটি কলেজ গেট থেকে সার্ভে ইনস্টিটিউট গেট, ৬ নং ওয়ার্ডে জিপিওর সামনে, ১৯ নং ওয়ার্ড ছোট বনগ্রাম এলাকায়, ২৭ নং ওয়ার্ড বালিয়াপুকুর এলাকায় ও ৩০ নং ওয়ার্ড বিনোদপুর বাজারে ধানের শীষ প্রতীকের মাইকিংয়ে বাধা দেয়া হয়। এ সময় প্রচারকর্মীদের মারধর করা হয়েছে।

মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল অভিযোগ করেন, পুলিশের সহযোগিতায় নৌকা প্রতীকের নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পোস্টার ও ফেস্টুন খুলে নিচ্ছে। প্রচার-প্রচারণায় বাধা এবং হামলা চালাচ্ছে। এতে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত হলে নির্বাচন কমিশনকেই এর দায় নিতে হবে।

এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও নির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা সৈয়দ আমিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আচরণবিধি দেখভালে ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নগরজুড়ে ১০টি দল দায়িত্ব পালন করছেন। আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ পেলে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ফেরদৌস সিদ্দিকী/এএম/পিআর