বিজিবির তদারকি প্রত্যাহারে বেনাপোল বন্দর সচল

উপজেলা প্রতিনিধি বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশিত: ০৫:০৫ পিএম, ১৭ জুলাই ২০১৮ | আপডেট: ০৫:১৪ পিএম, ১৭ জুলাই ২০১৮

বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের তদারকি তুলে নেয়ায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম সচল করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

গতকাল সোমবার রাত ৯টা থেকে এ পথে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের সঙ্গে বেনাপোল বন্দরের পুনরায় বাণিজ্য কার্যক্রম শুরু হয়।

গত ১৪ জুলাই সন্ধ্যায় বেনাপোল বন্দরের চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার ওয়েং স্কেলে বিজিবি সদস্যরা আমদানি বাণিজ্যে কাস্টমসের সঙ্গে যৌথ তদারকি শুরু করলে কাস্টমস প্রতিবাদ জানিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।

বিজিবির দাবি ছিল, বন্দরে চোরাচালান ও অনিয়ম প্রতিরোধে তাদের কাজ করার অনুমতি ছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। কিন্তু কাস্টমস বিজিবির হঠাৎ এ তদারকি মানতে নারাজ। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কাস্টমসের সঙ্গে ছিল একমত। এতেই বাধে বিপত্তি।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার সৈয়েদ আহম্মেদ সায়েদ রুবেল বলেন, বন্দরের দুটি ওয়েং স্কেল থেকে বিজিবি সদস্যদের প্রত্যাহার করে নেয়ায় পুনরায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

এদিকে, গত দুদিন আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় অচলাবস্থার কবলে পড়ে ব্যবসায়ীরা প্রায় ৫ কোটি টাকা লোকশানের শিকার হয়েছেন। পণ্য সরবরাহ বন্ধ থাকায় ব্যাহত হয়েছে দেশের শিল্প-কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম।

বেনাপোল বন্দর পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, দুইদিন আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় বন্দরে পণ্য জটের সৃষ্টি হয়েছিল। আটকে থাকা পণ্য যাতে দ্রুত খালাস দেয়া যায় তার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

যশোর ৪৯-বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল আরিফুল হক বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা ওয়েং স্কেলে বিজিবি সদস্য মোতায়েন করে কার্যক্রম চালাচ্ছিলাম। এ নিয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ প্রতিবাদ জানায়। পরে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা বিজিবি সদস্য প্রত্যাহার করে নিয়েছি। এরপর বাণিজ্য কার্যক্রম শুরু হয়।

মো. জামাল হোসেন/এএম/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :