হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচে পাওয়া মরদেহটি যুবলীগ নেতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী
প্রকাশিত: ০৮:০৩ পিএম, ১৮ জুলাই ২০১৮
ছবি-ফাইল

পাবনার ঈশ্বরদীতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচে পদ্মা নদীর পাড় থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি রাজশাহীর তানোর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আলীর (৫০) বলে শনাক্ত করেছে তার পরিবার। বুধবার শাহজাহান আলীর পরনের পোশাক দেখে তারা মরদেহটি শনাক্ত করেন।

গত ১৬ জুলাই সকালে ওই মরদেহ উদ্ধার করে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ। শনাক্ত না হওয়ায় পরদিন আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম বেওয়ারিশ হিসেবে মরদেহ দাফন করে।

নিহত শাহজাহান আলী তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের শিবরামপুরের মৃত জবেদ আলীর ছেলে। সার-কীটনাশক বিক্রেতা শাহজাহান উপজেলার জুমারপাড়া গলির মোড়ের মেসার্স শাহজাহান ট্রেডার্স ও মেসার্স নাবিলা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী।

স্বজনদের ভাষ্য, ১৫ জুলাই বাড়ি থেকে বের হয়ে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। সন্ধান না পেয়ে সোমবার তার ছেলে শফিকুল ইসলাম সরল তানোর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এতে বলা হয়েছে- ১৫ জুলাই সকালে ব্যবসায়ীক কাজে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে করে মুন্ডুমালা বাজারে যান তিনি। সারাদিন বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার খোঁজ নিতে থাকেন। একপর্যায়ে তার মোটরসাইকেল মুন্ডুমালা বাজারের হক এন্টারপ্রাইজের কাছে পাওয়া যায়।

তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত তা নিশ্চিত করতে পারেননি নিহতের স্ত্রী শিরিনা বেগম।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, অজ্ঞাত হিসেবে মরদেহটি উদ্ধার করেন তারা। নিহতের গায়ের রঙ শ্যামলা। পরনে সবুজ হাফ হাতা শার্ট ও সুতি লুঙ্গি ছিল। ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার বিকেলে আঞ্জুমান ই মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে মরদেহটি পাবনা পুলিশ লাইন সংলগ্ন লাইব্রেরি বাজার এলাকায় দাফন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পরে নিহতের এক আত্মীয়ের মাধ্যমে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এছাড়া তানোর থানা থেকে তার ছেলের করা একটি নিখোঁজের জিডিও পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে এখন তানোর থানা পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেবে।

তানোর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম বলেন, শাহজাহানের মরদেহ পাওয়ার বিষয়টি আমরা নিশ্চিত হয়েছি। এখন পরিবার চাইলে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মরদেহ আনা হবে। এছাড়া কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ফেরদৌস সিদ্দীকী/আরএআর/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :