রাসিক কাউন্সিলর হলেন যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী
প্রকাশিত: ০৯:৪৫ পিএম, ৩১ জুলাই ২০১৮

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) ৩০ সাধারণ এবং ১০ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৮টা পর্যন্ত নগরীর ১৩৮ কেন্দ্রে একটানা ভোটগ্রহণ হয়। পরে রাতে ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

এবার নগরীতে ভোটার ছিলেন- তিন লাখ ১৮ হাজার ১৩৮ জন। ভোট পড়েছে গড়ে ৭৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ। নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৭০০ ভোট।

নির্বাচনে আরও তিন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬০ এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৫২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এবার পরিষদে যাচ্ছেন যেসব কাউন্সিলর :

৫ হাজার ৫৬৯ ভোট পেয়ে ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন রজব আলী (লাটিম)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান কাউন্সিলর মনসুর রহমান (টিফিন ক্যারিয়ার) পান ৩ হাজার ১৯৫ ভোট।

২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন নজরুল ইসলাম (ঠেলাগাড়ি)। তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৮১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নোয়ামুল ইসলাম (টিফিন ক্যারিয়ার) পেয়েছেন ৩ হাজার ৩০৮ ভোট।

৩ হাজার ৪৩৩ ভোট পেয়ে ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন কামাল হোসেন (ট্রাক্টর)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ২ হাজার ৭০৪ ভোট।

৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন রুহুল আমিন টুনু (ব্যাডমিন্টন)। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৮৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাজ্জাদ হোসেন (ট্রাক্টর) পেয়েছেন ২ হাজার ৭২৪ ভোট।

৩ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে এবারও ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন কামরুজ্জামান কামরু (ব্যাডমিন্টন)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহাতাবুল ইসলাম (ঠেলাগাড়ি) পেয়েছেন এক হাজার ৮২১ ভোট।

এবারও ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন নুরুজ্জামান টুকু (টিফিন ক্যারিয়ার)। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বদিউজ্জামান (ট্রাক্টর) পেয়েছেন এক হাজার ৬০৩ ভোট।

এক হাজার ৭১৬ ভোট পেয়ে ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন মতিউর রহমান মতি (টিফিন ক্যারিয়ার)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জহিরুল ইসলাম (ট্রাক্টর) পেয়েছেন এক গাহার ৬২৬ ভোট।

আবারও ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন এসএম মাহাবুবুল হক পাভেল (লাটিম)। তিনি পেয়েছেন এক হাজার ৪৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জানে আলম খান জনি (ঘুড়ি) পেয়েছেন এক হাজার ৪৩৩ ভোট।

৩ হাজার ২১৯ ভোট পেয়ে ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন রেজাউন নবী দুদু (টিফিন ক্যারিয়ার)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এ কে এম রাশেদুল হাসান (ঠেলাগাড়ি) পেয়েছেন ২ হাজার ৯৯১ ভোট।

আবারো ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন আব্বাস আলী সরদার (ঘুড়ি)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমিনুল ইসলাম (ট্রাক্টর) পেয়েছেন এক হাজার ২৭০ ভোট।

৩ হাজার ৩৩ ভোট পেয়ে ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন রবিউল ইসলাম তজু (ঘুড়ি)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু বাক্কার কিনু পেয়েছেন ২ হাজার ২২৬ ভোট।

১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন সরিফুল ইসলাম বাবু (টিফিন ক্যারিয়ার)। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৩৭৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইকবাল হোসেন দিলদার (ট্রাক্টর) পেয়েছেন এক হাজার ৭৯৪ ভোট।

৩ হাজার ৭৪৬ ভোট পেয়ে ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল মোমিন (লাটিম)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রবিউল আলম মিলু (ঠেলাগাড়ি) পেয়েছেন এক হাজার ৩৯ ভোট।

১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন আনোয়ার হোসেন আনার (ঠেলাগাড়ি)। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ২৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. টুটুল (লাটিম) পেয়েছেন ২ হাজার ৮১৩ ভোট।

৩ হাজার ৮৩৪ ভোট পেয়ে আবারও ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুস সোবহান লিটন (ঠেলাগাড়ি)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রেজা উন-নবী আল মামুন (লাটিম) পেয়েছেন ২ হাজার ১৬৩ ভোট।

আবারো ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন বেলাল আহম্মেদ (ঠেলাগাড়ি)। তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ মন্তাজ আহমেদ (টিফিন ক্যারিয়ার) পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৫০ ভোট।

৭ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন শাহাদৎ আলী শাহু (ঘুড়ি)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনজুর হোসেন (লাটিম) পেয়েছেন ২ হাজার ৮৯৭ ভোট।

১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন শহিদুল ইসলাম পচা (ঠেলাগাড়ি)। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ২৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইজুল হক ফাহি (রেডিও) পেয়েছেন এক হাজার ৭৫৬ ভোট।

৮ হাজার ৯০৮ ভোট পেয়ে ১৯ নং ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছেন তৌহিদুল ইসলাম সুমন (ঠেলাগাড়ি)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নূরুজ্জামান টিটো (ঘুড়ি) পেয়েছেন ৬ হাজার ৮৮০ ভোট।

২০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন রবিউল ইসলাম সরকার (ঠেলাগাড়ি)। তিনি পেয়েছেন এক হাজার ৭৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইউসুফ হোসেন (রেডিও) পেয়েছেন এক হাজার ৭৬ ভোট।

৩ হাজার ৬০২ ভোট পেয়ে আবারো ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন নিযাম উল আজীম নিযাম (মিষ্টি কুমড়া)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আসাদুজ্জামান রেবু (রেডিও) পেয়েছেন এক হাজার ৩৬২ ভোট।

আবারো ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল হামিদ সরকার টেকন (ঘুড়ি)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা পারভেজ রিপন (ঠেলাগাড়ি) পেয়েছেন এক হাজার ১৩০ ভোট।

২ হাজার ২৫৬ ভোট পেয়ে আবারো ২৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন মাহাতাব হোসেন চৌধুরী (ট্রাক্টর)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মইফুল ইসলাম (ব্যাডমিন্টন র্যাকেট) পেয়েছেন এক হাজার ৮৮১ ভোট।

আবারো ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন আরমান আলী (টিফিন ক্যারিয়ার)। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহাঙ্গীর আলম (ঘুড়ি) পেয়েছেন ২ হাজার ৭০০ ভোট।

৪ হাজার ১৯৭ ভোট পেয়ে আবারো ২৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন তরিকুল আলম পল্টু (টিফিন ক্যারিয়ার)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নুরুন্নাহার বেগম (কাটা চামচ) পেয়েছেন ২ হাজার ৫৬১ ভোট।

২৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন আক্তারুজ্জামান কোয়েল (লাটিম)। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৯০৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রবিউল ইসলাম (ঘুড়ি) পেয়েছেন এক হাজার ৮৯৭ ভোট।

৩ হাজার ৮৮ ভোট পেয়ে আবারো ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন আনোয়ারুল আমিন আজব (টিফিন ক্যারিয়ার)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নূরুল হুদা সরকার (ঠেলাগাড়ি) পেয়েছেন ২ হাজার ৫৪৭ ভোট।

২৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন আশরাফুল হাসান বাচ্চু (টিফিন ক্যারিয়ার)। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৮৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মইনুল হক মনা (কাটা চামচ) পেয়েছেন ২ হাজার ৭৮ ভোট।

২ হাজার ২০ ভোট পেয়ে ২৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হন মাসুদ রানা শাহিন (মিষ্টি কুমড়া)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহের হোসেন (ঘুড়ি) পয়েছেন এক হাজার ৬৬৯ ভোট।

নগরীর ৩০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন শহিদুল ইসলাম পিন্টু (টিফিন ক্যারিয়ার)। তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আলাউদ্দিন (ঠেলাগাড়ি) পেয়েছেন ৩ হাজার ২১৮ ভোট।

সংরক্ষিত আসনে নারী কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন ১ নং ওয়ার্ডে তাহেরা খাতুন (চশমা), ২ নং ওয়ার্ডে আয়েশা খাতুন (গ্লাস), ৩ নং ওয়ার্ডে মুসলিমা বেগম বেলী (আনারস), ৪ নং ওয়ার্ডে শিরিন আরা খাতুন (চশমা), ৫ নং ওয়ার্ডে সামসুন নাহার (চশমা), ৬ নং ওয়ার্ডে মাজেদা বেগম (হেলিকপ্টার), ৭ নং ওয়ার্ডে উম্মে সালমা (মোবাইল ফোন), ৮ নং ওয়ার্ডে নাদিরা বেগম (জিপগাড়ি), ৯ নং ওয়ার্ডে লাইলী বেগম (হেলিকপ্টার) এবং ১০ নং ওয়ার্ডে সুলতানা রাজিয়া (চশমা)।

ফেরদৌস সিদ্দিকী/এএম/এমএস