ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বিএনপি নেতাকর্মীর ওপর হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল
প্রকাশিত: ০৫:৩৬ পিএম, ২৩ আগস্ট ২০১৮

ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি মেজবাউদ্দিন ফরহাদ ও বিএনপি নেতাকর্মীর ওপর দফায় দফায় হামলা হয়েছে আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও শ্রমিকলীগের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এতে বিএনপির অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার পাতারহাটের মাদরাসা রোড, চোর হোগলা টেম্পুস্ট্যান্ড এবং স্টিমারঘাট এলাকায় এ হামলা চালানো হয়।

আহতদের মধ্যে মেহেন্দীগঞ্জের চরএককরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কানন তালুকদার, মেহেন্দীগঞ্জ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমজাদ পোদ্দার, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজান মাঝি, জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিজান গাজি, সাধারণ সম্পাদক সবুজ মিয়া এবং জেলা বিএনপির সদস্য নজরুল ইসলামকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মেহেন্দীগঞ্জের চরএককরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কানন তালুকদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

মেহেন্দীঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ভুলুর নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও শ্রমিকলীগের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে এ হামলা চালান।

বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির দফতর সম্পাদক নুরুল আলম রাজু বলেন, উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি মেজবাউদ্দিন ফরহাদ ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য মেহেন্দীগঞ্জে যান। এ সময় তিনি শতাধিক নেতাকর্মীর সঙ্গে নিয়ে হেঁটে ও মোটরসাইলযোগে মেহেন্দীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার পাতারহাটের মাদরাসা রোড, চোর হোগলা টেম্পুস্ট্যান্ড এবং স্টিমারঘাট এলাকায় গেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম ভুলুর নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়।

এতে বিএনপির অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে চরএককরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কানন তালুকদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে শের-ই-বাংলা মেডিলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে মেহেন্দীঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ভুলুর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

মেহেন্দীগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন খান বলেন, এ হামলার বিষয়ে আমাদের কিছুই জানা নেই। এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি।

সাইফ আমীন/এএম/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :