বঙ্গোপসাগরে এক লাখ ইয়াবাসহ ১১ রোহিঙ্গা আটক

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ০৩:৪১ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের অদূরে বঙ্গোপসাগর থেকে এক লাখ পিস ইয়াবা ও মাছ ধরার ট্রলারসহ ১১ রোহিঙ্গাকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। বৃহস্পতিবার সকালে টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিনের পূর্ব-দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- মিয়ানমারের মংডু শহরের মংনি পাড়া এলাকার আবু বক্ককরের ছেলে কবির আহমেদ (৩৫), একই এলাকার বাসিন্দা মৃত হাবিবুল্লাহর ছেলে মো. নবী মাঝি (২০), করিমুল্লাহর ছেলে আমানুল্লাহ (১৮), মৃত হাবিবুল্লাহ ছেলে তারেক উল্লাহ (১৪), মৃত মো. শেখের ছেলে কামাল উদ্দিন (২০), আবু তাহেরের ছেলে মো. ছাবের (১৮), মৃত আবু তালেকের ছেলে মো. রিয়াজ (১৪), হাফেজ আহমদের ছেলে মো. শাকের (১৬), নুর মোহাম্মদের ছেলে মো. ফয়সাল (১৬), মৃত আব্দুস সুফির ছেলে মো. রহমত উল্লাহ (১৯) ও শামসুদ্দিনের ছেলে মো. রিয়াজ (১৮)।

কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট ফয়জুল ইসলাম মন্ডল বলেন, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান সেন্টমার্টিনের অদূরে পূর্ব-দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে বলে তথ্য পায় কোস্টগার্ড। এরই সূত্র ধরে কোস্টগার্ডের দুটি টিম ওই এলাকা কড়া নজরদারিতে রাখে। বৃহস্পতিবার ভোরে একটি সন্দেহভাজন ফিশিং ট্রলারকে দেখতে পেয়ে কোস্টগার্ড সদস্যরা তাদের সংকেত দিলে তারা পালানোর চেষ্টা চালায়। এ সময় ট্রলারটিকে ধাওয়া করে আটক করা হয়। পরে ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা ১১ মাঝিমাল্লাকে আটক করা হয়। পরে ট্রলারটিসহ আটকদের টেকনাফে আনা হয়েছে।

তবে ট্রলারের মাঝি মো. নবী বলেন, সাগরে মাছ ধরা অবস্থায় অপর একটি ট্রলারের কয়েকজন এসে তাদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ইয়াবাগুলো তাদের দেখিয়ে দেয়া আরেকটি ফিশিং ট্রলারে তুলে দিতে বলে। এটি না করলে তারা প্রাণে মারার হুমকি দেয়। প্রাণে বাঁচতে তারা ইয়াবাগুলো নিয়ে বাংলাদেশ জলসীমায় অবস্থান করা ওই ট্রলারে দিতে আসে। তাদের দেয়া একটি মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করে তারা ধরা পড়েন। আটক মাঝিমাল্লারা সবাই মিয়ানমারের নাগরিক বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

সায়ীদ আলমগীর/আরএআর/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :