চালু হলো সেলুনে বই পড়ার ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী
প্রকাশিত: ০৪:৩৬ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

রাজশাহী নগরীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে দেশের প্রথম সেলুন ভিত্তিক পাঠাগার। একুশে ফেব্রুয়ারি এই কার্যক্রমের সূচনা হয়।

নগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তেরখাদিয়া এলাকার ১০টি সেলুনে পরীক্ষামূলকভাবে এ কার্যক্রম শুরু করেছে রাজশাহীর কেন্দ্রীয় কিশোর পাঠাগার।

সিটি করপোরেশনের ১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনার ফিতা কেটে ব্যতিক্রমী এই পাঠাগারের সূচনা করেন। কেন্দ্রীয় কিশোর পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও সেলুন পাঠাগারের উদ্যোক্তা সোহাগ আলীর সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মাসিদুল হাসান, তেরখাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিয়াকত কাদির কুমকুম, বিশিষ্ট সমাজসেবক রবিউল ইসলাম, ব্যবসায়ী গাজী সারোয়ার জামিল, হীরা হেয়ার সেলুনের মালিক খালিদ হোসেন হীরা প্রমুখ।

Selun-Book

সেলুন ভিত্তিক বইপড়া কর্মসূচির উদ্যোক্তা সোহাগ আলী জানান, সেলুনে চুল-দাড়ি কাটতে এসে বেশরি ভাগ সময় অপেক্ষা করতে হয়। অপেক্ষার সেই সময়ই বইপড়া অভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষে অভিনব কায়দায় বই পড়ানোর দায়িত্ব নিয়েছে কেন্দ্রীয় কিশোর পাঠাগার। আপনার বাড়ির পাশের সেলুনেই বিনামূল্যে বই পড়তে পারবেন। প্রয়োজনে আপনি বাসাতেও বই নিতে পারবেন।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় কিশোর পাঠাগার রাজশাহী মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ৩শ সেলুনে সেলুন ভিত্তিক পাঠাগার গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নগরীর ১৪নং ওয়ার্ডে উপশহর, তেরখাদিয়া, বসুয়া, উপশহর নিউমাকের্ট, বিভাগীয় স্টেডিয়াম এলাকা, তেরখাদিয়া কলেজপাড়া এলাকায় ১০টি সেলুনে পরীক্ষামূলকভাবে সেলুন পাঠাগার কার্যক্রম শুরু হলো।

তিনি আরও বলেন, দিন দিন গণগ্রন্থাগারগুলোতে পাঠক কমছে। বর্তমানে মানুষের কর্মব্যস্ততার মাঝে গ্রন্থাগারে গিয়ে বই পড়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ পাচ্ছেন না। তাই আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের বিনামূল্যে বই পড়া কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকি যাতে সহজেই পাঠকগণ গ্রন্থাগারে না গিয়ে ঘরে বসেই বই পড়ার সুযোগ
পান।

ফেরদৌস/এমএএস/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]