পূবালী ব্যাংকের ২২ লাখ টাকা ডাকাতি, ১৬ জনের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক সিলেট
প্রকাশিত: ০৮:৩৭ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

পূবালী ব্যাংকের চাঞ্চল্যকর ২২ লাখ টাকা ডাকাতির মামলায় সিলেট জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব ও দক্ষিণ সুরমার তেতলী ইউপি চেয়ারম্যান উসমান আলী এবং সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর আশিক আহমদসহ ১৬ জনকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এ মামলায় একজনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। সোমবার বিকেলে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মফিজুর রহমান ভূঁইয়া এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলা গ্রামের শহীদুল ইসলাম শহীদ, নগরীর ফাজিলচিশতের জাবেদ, সওদাগরটুলার রুবেল আহমদ, বলকলাপাড়ার কামাল হোসেন, নূরানী সুবিদবাজারের বাসিন্দা কলিন্স সিংহ, কদমতলীর আবদুল মমিন, ইঙ্গুলাল রোড কুয়ারপারের রহিম আলী, দক্ষিণ সুরমার বানেশ্বরপুরের শফিক মিয়া, একই গ্রামের বাসিন্দা ও চেয়ারম্যান উসমান আলীর ভাই আনহার ও আঙ্গুর, আবদুল হক লিটন, শাহান, লিটন ও সিপন আহমদ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সিলেটের বিভিন্ন শাখা থেকে টাকা নিয়ে নগরের লালদিঘীরপাড় দিয়ে সিলেটের মূল শাখায় মাইক্রোবাসযোগে যাচ্ছিলেন পূবালী ব্যাংকের অফিসার (ক্যাশ) জিএম আতাহার হোসেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন গার্ড মোজাম্মেল আলী, আমানত উল্লাহ ও মাইক্রোবাসচালক মজনু মিয়া।

ওই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে দক্ষিণ সুরমার হুমায়ূন রশীদ চত্বরে পৌঁছার পর ১৫-২০ জন লোক মাইক্রোবাসের গতিরোধ করে হামলা চালিয়ে গাড়িতে থাকা ৮৩ লাখ ৬৪ হাজার টাকার মধ্যে ২২ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় ডাকাত দলের সদস্যরা ১৪ রাউন্ড গুলিভর্তি একটি স্ট্যান্ডগান ছিনিয়ে নেয়।

এ ঘটনায় ব্যাংকের অফিসার (ক্যাশ) জিএম আতাহার হোসেন বাদী হয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি ও ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার মামলার ১৬ আসামিকে সাজা এবং একজনকে খালাস দেন বিচারক।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন- অতিরিক্ত পিপি মফুর আলী এবং ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আব্দুল মওমুদ ও ব্যাংকের আইন কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট মাহবুব আহসান।

ছামির মাহমুদ/এএম/জেআইএম