খাগড়াছড়ির ৮ উপজেলায় বিজয়ী যারা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি খাগড়াছড়ি
প্রকাশিত: ১২:৪৮ পিএম, ১৯ মার্চ ২০১৯

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে খাগড়াছড়ির আট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চারটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। দুটিতে পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় পেয়েছে। এর আগে খাগড়াছড়ি সদর ও মানিকছড়ি উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হন।

রামগড় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বিশ্ব প্রদীপ কারবারি নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৬ হাজার ১২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু বকর ছিদ্দিক আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ১২০ ভোট।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৭ হাজার ৭৬১ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নিজ দলের বিদ্রোহী মো. তাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১১ হাজার ৩১০ ভোট।

মহালছড়িতে জয় পেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস-এমএন লারমা) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী বিমল কান্তি চাকমা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ক্যজাই মারমা নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ১২ ভোট।

দীঘিনালায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাজি মো. কাশেম ৩৭ হাজার ৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উমেশ কান্তি চাকমা হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০০ ভোট। অন্যদিকে লক্ষীছড়িতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বাবুল চৌধুরী ৪ হাজার ৬৯৩ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন।

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী শান্তি জীবন চাকমা ১৫ হাজার ৯৬৪ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিটন চাকমা পেয়েছেন ৬ হাজার ৭২৮ ভোট। তবে পানছড়িতে জালভোট প্রদানসহ নানা অভিযোগে তিন কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত তিন কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ৮ হাজার ৮২১ ভোট।

এর আগে সোমবার (১৮ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরামহীনভাবে জেলার ১৭৫টি কেন্দ্রের ৯৯০টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলে। খাগড়াছড়ির আট উপজেলায় মোট ৪ লাখ ১২ হাজার ৮৫৪ জন ভোটার। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১১ হাজার ৭১৬ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ১ হাজার ১৩৮ জন।

মুজিবুর রহমান ভুইয়া/এসআর/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :