ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুমিল্লা
প্রকাশিত: ১২:১৮ পিএম, ২২ মার্চ ২০১৯

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার গোমতী সেতুর টোল প্লাজা থেকে গৌরিপুর পর্যন্ত ঢাকামুখী সড়কে অন্তত ৬ কিলোমিটার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে টোলপ্লাজা থেকে গৌরিপুর পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট ছড়িয়ে পড়ে। তবে শুক্রবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুমিল্লা অংশে যানজট কিছুটা কমে বারপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার এলাকায় যানজট রয়েছে।

অপরদিকে দাউদকান্দির গোমতী সেতুর পর ঢাকাগামী অংশে মুন্সীগঞ্জের মেঘনা সেতু পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা পুলিশ জানিয়েছে। মহাসড়কে যানজটে যাত্রীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। আটকা পড়েছে কয়েক হাজার পণ্যবাহী যানবাহন।

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ার কারণে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেশি। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই মহাসড়কে যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। নির্মাণাধীন ২য় মেঘনা ও গোমতী সেতু এলাকায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করায় রাতভর যানজট ছিল। শুক্রবার ভোর থেকে যাত্রী, পণ্যবাহী ও প্রাইভেট গাড়ি চলাচল বাড়তে থাকে। তাই মেঘনা ও গোমতী সেতু কেন্দ্রিক যানজট দেখা দিয়েছে।

রাতে ঢাকা থেকে কুমিল্লায় আসা এশিয়া লাইন পরিবহনের চালক তফাজ্জল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকা থেকে রওয়ানা দিয়ে রাত দেড়টায় কুমিল্লায় পৌঁছেছেন।

বেলা পৌনে ১১টায় দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা পুলিশের এসআই আলমগীর জানান, শুক্রবার ও শনিবার ২দিনের ছুটিকে সামনে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। ৪ লেনের সড়কে চলমান যানবাহন মেঘনা ও গোমতী সেতুতে নিয়ন্ত্রণ করা এবং টোল আদায়ে কিছুটা বিলম্বের কারণে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মুন্সীগঞ্জের মেঘনা সেতু এলাকায় তীব্র যানজট কুমিল্লার দাউদকান্দির বারপাড়া পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। তবে যানজট স্থায়ী হচ্ছে না। হাইওয়ে ও থানা পুলিশ যানজট নিসরসনে কাজ করছে।

কামাল উদ্দিন/আরএআর/এমএস