বাঁশির সুরে ভোটার ডাকছেন ছাত্রলীগ নেতা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বরগুনা
প্রকাশিত: ০৪:৪৯ পিএম, ২৩ মার্চ ২০১৯

বাঁশ নিয়ে যতই বাজে মন্তব্য করা হোক- মানুষের জীবনে বাঁশ জড়িয়ে আছে নানা কাজে। মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্রের পরের স্থানটি দখল করে নিয়েছে বাঁশ। বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য দরকার হয় বাঁশের। দালান কিংবা কাঁচা ঘর সব কাজেই প্রয়োজন হয় বাঁশের। বাঁশকে বলা হয় গরিবের কাঠ। বাঁশের বাঁশি ছাড়া মোহনীয় সুর ওঠে না। বাঁশের বাঁশির সুর মানুষের হৃদয়ে স্বর্গীয় অনুভূতি এনে দেয়।

এবার সেই বাঁশের বাঁশির মোহনীয় সুরে ভোটারদের মন জয়ের আপ্রাণ চেষ্টা করছেন বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. ইমরান হোসেন রাসেল ফরাজী। রাসেলের বাঁশির সুর মন জয় করেছে বরগুনা সদর উপজেলার ভোটারদের। ভোট পাওয়ার আশায় প্রার্থীর ব্যতিক্রমী এই প্রচারণা ভোটারদের মনে দোলা দিয়েছে। সকাল-দুপুর ও রাতে রাসেলের বাঁশির সুর সবার হৃদয় ছুঁয়ে যায়। বাঁশির সুর শুনে ছুটে যায় ভোটাররা।

Barguna-Rasel-(2)

বরগুনার ভোটারদের দরজায় কড়া নাড়ছে পঞ্চম উপজেলা পরিষদের তৃতীয় ধাপের নির্বাচন। আগামী ৩১ মার্চ উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জেলার ছয়টি উপজেলা মধ্যে তালতলী উপজেলা ছাড়া বাকি পাঁচটি উপজেলায় হবে নির্বাচন।

নির্বাচনে প্রার্থীরা নানা ভাবে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন। তবে বাঁশির সুরে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন ইমরান হোসেন রাসেল ফরাজী। ভোটারদের নানা প্রতিশ্রুতি দেয়ার পাশাপাশি অন্যান্য প্রার্থীদের মতো প্রতিদিন নিজের নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করছেন রাসেল ফরাজী।

ইমরান হোসেন রাসেল ফরাজী বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম আবদুল লতিফ ফরাজীর ছেলে তিনি।

Barguna-Rasel-(3)

২০১৪ সালের চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। সেবার অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে যান রাসেল ফরাজী।

বরগুনা সরকারি কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী মোর্শেদ সুজন জাগো নিউজকে বলেন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রাসেল ফরাজী একজন ভালো বংশীবাদক। বরগুনা সরকারি কলেজে অধ্যয়নরত ও ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা অবস্থায় কলেজের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বাঁশি বাজাতেন তিনি। তার বাঁশির সুরের মোহনায় ভাসিয়ে নিতেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। পুরো কলেজজুড়ে নিস্তব্ধতা নেমে আসতো তার বাঁশির সুরে।

Barguna-Rasel-(4)

এ বিষয়ে মো. ইমরান হোসেন রাসেল ফরাজী জাগো নিউজকে বলেন, বাঁশির প্রতি ছোটবেলা থেকেই আগ্রহ ছিল বেশ। তাই স্কুলজীবন থেকেই শুরু হয় বাঁশি বাজানো। এক যুগের বেশি সময় ধরে কারও সহযোগিতা ছাড়াই বাঁশির ভাষা বুঝতে সক্ষম হই। আগে অবসর সময়ে বাঁশি বাজাতাম। কিন্তু এখন কর্মব্যস্ততার কারণে আগের মতো বাঁশি বাজানোর সময় হয় না। তবে এবার ভোটারদের অনুরোধে বাঁশি বাজিয়ে চলছি আমি।

এএম/এমকেএইচ

আপনার মতামত লিখুন :