সাংবাদিক শিমুল হত্যা মামলার অভিযোগ গঠন ফের পেছাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী
প্রকাশিত: ০৬:৫০ পিএম, ২৫ আগস্ট ২০১৯
ফাইল ছবি

ফের পেছাল সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের সাংবাদিক আবদুল হাকিম শিমুল হত্যা মামলার অভিযোগ গঠন। রোববার অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য থাকলেও আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার আরেক দফা পিছিয়ে আগামী ১ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৮ ও ১৮ আগস্ট আসামি পক্ষের আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার অভিযোগ গঠন পিছিয়ে যায়।

এদিকে রোববার মামলার প্রধান আসামি শাহজাদপুর পৌরসভার বরখাস্ত হওয়া মেয়র হালিমুল হক মিরুর জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু আদালত তা নামঞ্জুর করেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু জানান, আসামি পক্ষের আইনজীবী মামলার অভিযোগ গঠন পেছানো ও প্রধান আসামির জামিন আবেদন করেছিলেন। আদালত প্রধান আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। তবে অভিযোগ গঠন পিছিয়ে নতুন করে দিন ধার্য করেছেন।

তিনি জানান, মামলার ১৪ নম্বর আসামি সাহেব আলী পাবনায় ৩৪ ধারায় আটক হয়েছেন বলে অভিযোগ গঠনের দিন পেছানোর আবেদন করা হয়। আদালত আসামি সাহেব আলীকে ১ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন। আর উচ্চ আদালত থেকে জামিনে থাকা অন্য ৩৬ আসামির জামিন বহাল রেখেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরুর শর্টগানের গুলিতে গুরুতর আহত হন সমকালের শাহজাদপুর প্রতিনিধি আবদুল হাকিম শিমুল। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় শিমুলের স্ত্রী নুরুন্নাহার খাতুন বাদী হয়ে মেয়র মিরুকে প্রধান আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ একই বছরের ২ মে মেয়র মিরু, তার ভাই মিন্টুসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে মেয়র মিরু কারাগারে আছেন। তবে অপর ৩৭ জন আসামি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হন।

সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি স্থানান্তরের জন্য গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কিন্তু অজানা কারণে দীর্ঘ প্রায় ৭ মাস পর গত ১৪ জুলাই প্রজ্ঞাপনটি সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পৌঁছে। এরপর বহুল আলোচিত মামলাটি রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পৌঁছে।

এমবিআর/জেআইএম