অবশেষে নিজের জমি বুঝে পেলেন এমপি মুহিব!

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)
প্রকাশিত: ০৯:০২ এএম, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

পটুয়াখালী-৪ আসনের এমপি অধ্যক্ষ মহিববুর রহমান মুহিবকে অবশেষে তার জমি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন এমপির মুখপাত্র আনোয়ার হাওলাদার। ইতোমধ্যে ওই জমিতে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে।

আনোয়ার হোসেন হাওলাদার জানিয়েছে, সরকারি জমি দখলের অভিযোগ এনে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসক এমপি মহোদয়ের নামে যে মামলা করেছিল তা তুলে নিবেন। এর ফলে এমপি মুহিবের সঙ্গে জমি নিয়ে চলমান জটিলতা নিরসন হতে যাচ্ছে। একটি কুচক্রি মহলের প্ররোচণায় এমপি মুহিবের বিরুদ্ধে জমি দখলের মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হয়রানি এবং হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেছেন।

জানা যায়, জেএল ৫৭ নম্বর কুয়াকাটা মৌজার বিএস ১২৫৮ নম্বর খতিয়ানের জমি থেকে এমপি মুহিববুর রহমান মুহিবের নামে বিএস জরিপ অনুযায়ী ৮ শতাংশ জমি আছে। ওই জমির মালিকানা জটিলতা নিরসনের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনিবুর রহমান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুপ দাস সরেজমিন উপস্থিত থেকে পরিমাপ করেছেন। বর্তমানে এমপি তার জমিতে স্থাপনা নির্মাণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছেন।

এমপির মুখপাত্র মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, এমপির জমি নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের সঙ্গে মালিকানা জটিলতা ছিল। এর পরিপেক্ষিতে এমপি মহোদয়ের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগে এনে গণমাধ্যমে বেশ কিছু সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের পক্ষে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনিবুর রহমান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুপ দাসের উপস্থিতিতে সরকারি সার্ভেয়ার দ্বারা সরেজমিনে পরিমাপ করা হয়েছে। তারা জমির কাগজপত্র পর্যালোচনা করে এমপি মহোদয়ের জমি বুঝে দিয়েছে। যার ফলে এতদিনের চলমান জটিলতার নিরসন হয়েছে। ।

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুপ দাস বলেন, দুই পক্ষের উপস্থিতিতে জমি সরেজমিনে পরিমাপ করা হয়েছে। এখনও রিপোর্ট প্রদান করা হয়নি। রিপোর্ট প্রদান করার পরে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক সিদ্ধান্ত নিবেন।

এ ব্যাপারে এমপি মহিববুর রহমান মহিব বলেন, আমার জমি বুঝে পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেছি। আবেদনের প্রেক্ষিতে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের পক্ষে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), পাউবো কর্তৃপক্ষ এবং সড়ক ও জনপথের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মাপঝোপ করে জমি বুঝিয়ে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ যারা এনেছেন তারাই জমি বুঝিয়ে দিয়েছেন।

এমএএস/পিআর