শিশু তানিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা এরপর ইট বেঁধে পানিতে নিক্ষেপ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পাবনা
প্রকাশিত: ০৬:৪৯ পিএম, ১৪ অক্টোবর ২০১৯

পাবনার সুজানগরে শিশু তানিয়া হত্যার প্রতিবাদে ও খুনিদের শাস্তির দাবিতে সোমবার মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের বরখাপুর গ্রামের সেলিম শেখের মেয়ে ও বরখাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক প্রাথমিক শ্রেণির শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তারকে (৬) ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

গতকাল রোববার দুপুরে শরীরে ইট বাঁধা অবস্থায় তানিয়ার মরদেহ একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করে সুজানগর থানার পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার দুপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

নাজিরগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের মানববন্ধন শেষে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তব্য দেন, নিহত তানিয়ার বাবা সেলিম শেখ, মাতা মোছা. বিনা খাতুন, নাজিরগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাদের হোসেন, এলাকাবাসীর মধ্যে কামাল খলিফা, হারুন শেখ, ঝর্ণা খাতুন, পপি রানী দাস, মহিলা ইউপি সদস্য রানু খাতুন ও বরখাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা প্রমুখ।

সুজানগর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) হাদিউল ইসলাম জানান, নিহত তানিয়ার বাবা বাদী হয়ে গত রোববার রাতে মামলা দায়ের করেন। এরপরই এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের বরখাপুর এলাকার হায়দার কাজীর ছেলে আরজু কাজী (২৭), রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে বাবু (২৫) ও রব্বানী বিশ্বাসের ছেলে আক্কাস বিশ্বাস আকাইসহ (৩০) তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার দুপুরে তাদেরকে পাবনা আমলি আদালতে পাঠানো হয়।

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) ফরহাদ হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশু তানিয়াকে ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে শরীরের সঙ্গে ইট বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনাটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

একে জামান/এমএএস/এমএস