যেসব কারণে শ্রেষ্ঠ হলেন তিনি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশিত: ০৭:২২ পিএম, ২১ অক্টোবর ২০১৯

মামলা দায়েরের স্বল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করে শ্রেষ্ঠত্বের সম্মাননা পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন। মামলা তদন্তে সার্বিক ব্যবস্থাপনার সাফল্যে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হয়েছেন তিনি। গতকাল রোববার চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় আলমগীর হোসেনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ২৫তম ব্যাচের পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন গত বছরের ৮ অক্টোবর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যোগদান করেন। পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পাওয়া এ কর্মকর্তা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘটিত বেশ কয়েকটি আলোচিত ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছেন।

এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ভাদুঘর এলাকায় গত ২ ফেব্রুয়ারি মা কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় চাচার হাতে খুন হওয়া শিশু হালিমা আক্তার হত্যা মামলা, পরকীয়ার জেরে গত ১৪ মার্চ খুন হওয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের চাপরতলা গ্রামের ডেকোরেটর কর্মী জুয়েল মিয়া (২৬) হত্যাকাণ্ড, লুডু খেলার টাকা নিয়ে বন্ধুদের হাতে গত ৪ জুন খুন হওয়া আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা গ্রামের ট্রাকের হেলপার সবুর (২০) হত্যা মামলার রহস্য স্বল্প সময়ে উদঘাটন করে আলোচনায় আসেন আলমগীর হোসেন।

চাঞ্চল্যকর এসব হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে প্রত্যক্ষভাবে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করেছেন তিনি। এছাড়া আরও কয়েকটি হত্যা মামলার উহস্য উদঘাটন করেন আলমগীর হোসেন।

চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) খন্দকার গোলাম ফারুকের কাছ থেকে আলমগীর হোসেনের পক্ষে তার শ্রেষ্ঠত্বের সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, কাজের স্বীকৃতি সবসময় উৎসাহ জোগায়। শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হওয়ার এই স্বীকৃতির মাধ্যমে আমার দায়িত্ব আরও বেড়েছে। সবার সহযোগিতা নিয়ে সেই দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকব।

আজিজুল সঞ্চয়/এমএএস/এমএস