প্রাইভেট পড়ানোর সময় ছাত্রীকে ধর্ষণ করলেন শিক্ষক

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নওগাঁ
প্রকাশিত: ০৮:৪০ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০১৯
প্রতীকী ছবি

নওগাঁর মান্দায় প্রাইভেট পড়ানোর সময় নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে আমিনুল ইসলাম নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার সকালে উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের ছোট চকচম্পক গ্রামে ওই শিক্ষকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত আমিনুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে এবং ছোট চকচম্পক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে গতকাল (সোমবার) রাতে মান্দা থানায় ধর্ষক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছেন।

শিক্ষার্থীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন শিক্ষক আমিনুল ইসলামের বাড়িতে প্রাইভেট পড়ত। শুক্রবার সকালে ৭টার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়ার জন্য ওই শিক্ষকের বাড়িতে যায়। এ সময় সেখানে আর কোনো শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল না। একা পেয়ে শিক্ষক আমিনুল ইসলাম তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ওই শিক্ষার্থী কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে গিয়ে তার মায়ের কাছে বিষয়টি খুলে বলে। গত শনিবার ওই ছাত্রীর মা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহিদুল ইসলামের কাছে এ বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। পরে তিনি (ছাত্রীর মা) সোমবার রাতে মান্দা থানায় ধর্ষক আমিনুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দাদি অভিযোগ করে বলেন, অন্য শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতিতে আমিনুল ইসলাম আমার নাতনিকে জোর করে নষ্ট করেছে। শিক্ষক আমিনুলের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি।

আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে শিক্ষক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে। মঙ্গলবার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই ছাত্রীকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আব্বাস আলী/এমবিআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]