টাঙ্গাইলে চাহিদার চেয়ে গরু বেশি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: ১০:০০ পিএম, ২২ জুলাই ২০২০

টাঙ্গাইলে চাহিদার চেয়ে ২০ হাজার কোরবানির পশু বেশি রয়েছে। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ৭৩ হাজার ৫৪৭টি। এর মধ্যে প্রস্তুত আছে ৯০ হাজার ৫২২টি। গরু-ছাগল উৎপাদনে বেশ কয়েক বছর ধরেই স্বয়ংসম্পূর্ণ এই জেলা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ঈদুল আযহায় জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ছিল ৪৭ হাজার ৫২টি; প্রস্তুত ছিল ৪৭ হাজার ৫৩টি। চলতি বছরের চাহিদা ৭৩ হাজার ৫৪৭টি। প্রস্তুত আছে ৯০ হাজার ৫২২টি।

Tangail-Eid-cow

এবার ঈদুল আজহায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ১২ হাজার ৩৮টি থাকলেও প্রস্তুত আছে ১৬ হাজার ৬৫টি। প্রস্তুতকৃত পশুর মধ্যে পাঁচ হাজার ২৭২টি ষাঁড়, ৮১২টি বলদ, ৭১৩টি গাভি, ১৩টি মহিষ, আট হাজার ৩৬০টি ছাগল ও ৮৯০টি ভেড়াসহ অন্যান্য পাঁচটি।

প্রস্তুতকৃত কোরবানির পশুর মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১৬ হাজার ৬৫টি, বাসাইল উপজেলায় ১০ হাজার ৫০টি, সখীপুর উপজেলায় ১৪ হাজার ১৬১টি, মির্জাপুর উপজেলায় তিন হাজার ৬৯১টি, দেলদুয়ার উপজেলায় তিন হাজার ৩৮৬টি, নাগরপুর উপজেলায় সাত হাজার ৫৮৫টি, কালিহাতী উপজেলায় নয় হাজার ৯২৩টি, ঘাটাইল উপজেলায় পাঁচ হাজার ১৯টি, ভূঞাপুর উপজেলায় ১০ হাজার ৬০২টি, গোপালপুর উপজেলায় চার হাজার ৪৯২টি, মধুপুর উপজেলায় দুই হাজার ২১৩টি আর ধনবাড়ী উপজেলায় তিন হাজার ৩৩৫টি।

Tangail-Eid-cow-2

বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল মোতালেব বলেন, করোনা আর বন্যার কারণে এ বছর তেমন জমছে না পশুর হাট। এতে খামারিদের লোকসান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির হাটে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম দায়িত্ব পালন করবে।

আরিফ উর রহমান টগর/এএম/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]