চৌহাট্টায় সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩৫ পিএম, ০৬ আগস্ট ২০২০
ছবি : মিঠু দাস জয়

সিলেট নগরের চৌহাট্টা এলাকায় ট্রাফিক সার্জেন্টের মোটরসাইকেলে রাখা বোমাসদৃশ ডিভাইস উদ্ধারে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তারা ডিভাইসটি প্রযুক্তির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করছেন। এর আগে দুপুর সোয়া ২টার দিকে সিলেট ক্যান্টনমেন্ট থেকে তারা ঘটনাস্থল নগরের চৌহাট্টা মোড়ে পৌঁছান।

সিলেট মহানগর পুলিশের ডিসি (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে এসেছে। তারা বিষয়টি দেখে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবেন। ডিভাইসটি উদ্ধারের পর বোঝা যাবে এটি বোমা না অন্য কিছু।

jagonews24

এর আগে বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরের চৌহাট্টা মোড়ের পূর্বদিকের পুলিশ চেকপোস্টের সামনে দাঁড় করিয়ে রাখা সিলেট মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট চয়ন নাইডুর মোটরসাইকেলে সন্দেহজনক ডিভাইসটি দেখা যায়। চয়ন বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের ফোনে জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ফিতা টেনে এলাকাটি ঘিরে রাখে। এর পরপরই বোমা আতঙ্কে ওই এলাকার দোকান পাট বন্ধ হয়ে যায়।

রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশের ক্রাইসিস রেসপন্স টিম (সিআরটি) ও র‌্যাবের একটি দল। তারা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে মধ্যরাতে সিদ্ধান্ত হয় ঢাকা থেকে পুলিশের বিশেষ বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা এসে এটি আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে উদ্ধার করবেন। অথবা সেনাবাহিনীর সাহায্য নেয়া হবে। শেষ পর্যন্ত বোমাসদৃশ বস্তুটি ঘিরে রাখার প্রায় ২০ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেন সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা। ওই এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

jagonews24

বোমাসদৃশ বস্তুটি থাকা মোটরসাইকেলটি সিলেট মহানগর পুলিশের ট্রাফিক সার্জেন্ট চয়ন নাইডুর। তিনি জানান, পালসার মডেলের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির নম্বর ঢাকা-মেট্রো-ল-১৪-৯২৭০। চৌহাট্টা এলাকায় বুধবার (৫ আগস্ট) দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ওই সময় তার মোটরসাইকেল সঙ্গে ছিল। সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে তিনি চৌহাট্টা পয়েন্টে মোটরসাইকেলটি রেখে পার্শ্ববর্তী একটি চশমার দোকানে যান। সেখান থেকে মিনিট দশেক পর চশমা কিনে বেরিয়ে মোটরসাইকেলের পেছনে বোমাসদৃশ বস্তু দেখতে পান। পরে তিনি সিলেট মহানগর পুলিশের (ট্রাফিক) উপ-কমিশনার ফয়সাল মাহমুদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানান।

ছামির মাহমুদ/আরএআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]