পুলিশ সুপারের উদারতা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ০৫:১৯ পিএম, ১৩ আগস্ট ২০২০

নোয়াখালীতে মৃত পুলিশ সদস্য বাবার অবর্তমানে তার মেয়েকে অভিভাবকের দায়িত্ব নিয়ে বিয়ে দিলেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) আলমগীর হোসেন। সোমবার দিনব্যাপী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।

জানা যায়, নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পুলিশ কনস্টেবল আনোয়ার উল্ল্যাহ ২০০৯ সালে কক্সবাজারে কর্তব্যরত অবস্থায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। মৃত্যকালে তিন মেয়ে, এক ছেলে ছোট থাকায় পরিবারের হাল ধরার কেউ ছিল না। ফলে চরম অনিশ্চয়তা নেমে আসে তার পরিবারে। এ অবস্থায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ান পুলিশ সুপার।

মৃত পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী সাহেদা আক্তার বলেন, মেয়ে আসমাউল হোসনা মুক্তার বিয়ের কথা পাকাপাকি হওয়ার পরই পুলিশ সুপারের সহযোগিতা চাওয়া হয়। এতে সাড়া দিয়ে পাশে এসে সব খরচ বহন করে আমার মেয়ের বিয়ে দেন পুলিশ সুপার।

Noakhali-2

এই বিয়ের আয়োজনে বর-কনে দুইজনই বেশ উৎফুল্ল। বাবার অবর্তমানে অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করায় পুলিশ সুপারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এলাকাবাসী।

পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন বলেন, অসহায় পরিবারটির পাশে থেকে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। তারা একা নয়, আমরা সবাই তাদের পাশে আছি। এ ধরনের সহযোগিতা সবসময় অব্যাহত রাখবে পুলিশ প্রশাসন।

Noakhali-2

বিয়েতে আরও উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি থীসা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার) সাজ্জাত হোসেন, সুধারাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নবীর হোসেন, এওজবালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু জাহেরসহ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

প্রসঙ্গত, করোনার দুর্যোগে প্রতিবন্ধী, বেদে সম্প্রদায়সহ সমাজের বিভিন্ন অসহায় শ্রেণিপেশার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা দিয়েছে নোয়াখালী জেলা পুলিশ প্রশাসন। এছাড়া পুলিশ লাইনে করোনা রোগী ও তাদের স্বজনদের জন্য সঙ্কট মুহূর্তে অক্সিজেন সরবরাহ করেছে।

মিজানুর রহমান/এএম/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]