পাটকল চালুর দাবিতে খুলনা ডিসি অফিস ঘেরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক খুলনা
প্রকাশিত: ০২:০১ পিএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

খুলনার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করেছে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়া ২৫টি পাটকল অবিলম্বে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় চালু, আধুনিকায়ন, অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা এককালীন পরিশোধসহ ১৪ দফা দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

ঘেরাও কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা।

পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের নেতারা বলেন, বিজিএমসির দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে পাটকলে লোকসান হয়েছে। লুটপাটের জন্যই পাটকল ও পাটশিল্প আজ ধ্বংসের পথে। অথচ বিজিএমসির দুর্নীতি ও লুটপাটের ফলে সৃষ্ট লোকসানের দায় সাধারণ পাটকল শ্রমিকদের ওপর চাপাচ্ছে সরকার। দুর্নীতিবাজদের শাস্তির ফল ভোগ করছেন শ্রমিকেরা। অবিলম্বে পাটকল চালুর দাবি জানান তারা।

তারা আরও জানান, করোনাভাইরাস মহামারিতে সরকারি পাটকল বন্ধ করে দেয়ায় অনেক শ্রমিকের মানবেতরভাবে জীবন চলছে। কর্মহারা এই শ্রমিকদের কেউ কেউ সহজ পেশা হিসেবে রিকশা চালাচ্ছেন। কেউবা ফল বিক্রেতা কিংবা নির্মাণ শ্রমিকের কাজেও নেমেছেন। আর এখনও কাজ জোগাড় করতে না পেরে বেকার জীবন পার করছেন অনেকে।

ঘোরাও কর্মসূচিতে অংশ নেয়া গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা কমিটির আহ্বায়ক ও পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের সদস্য মুনীর চৌধুরী সোহেল বলেন, বিজিএমসি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি ও ভ্রন্ত নীতির কারণে পাটশিল্পে লোকসান হচ্ছে। লোকসানের এই দায় নিষ্ঠুরভাবে শ্রমিকদের উপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। তাদের অন্যায় দুর্নীতির ফল আজ শ্রমিকদের ভোগ করতে হচ্ছে। নিষ্ঠুর এ খেলা বন্ধ করতে হবে। লুটপাটের এ সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে। ২৫টি পাটকল বন্ধ করা সরকারের সিন্ধান্ত। সরকার পাটকল বন্ধের জন্য এই করোনাকালকে বেছে নিয়েছে। যাতে শ্রমিকরা আন্দোলন করতে না পারে। তিনি দ্রুত বন্ধ পাটকলগুলো চালুর দাবি জানান।

আলমগীর হান্নান/এফএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]