নৌকাকে হারিয়ে জিতেছে ঢোল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক রংপুর
প্রকাশিত: ১১:১০ এএম, ২১ অক্টোবর ২০২০

রংপুর সদরের হরিদেবপুর ও সদ্যপুষ্কুরিণী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে জিতেছে ঢোল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। আর চন্দনপাট ও তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী।

বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে রংপুুুর সদরের তিন ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে সাবেকরাই নির্বাচিত হয়েছেন। তিন ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ব্যালট যুদ্ধে এগিয়ে থাকলেও একটিতেও জিততে পারেননি।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ১১টায় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা রেজাউল করিম এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এসব ইউনিয়নে মোট ৮০ ভাগ ভোট পড়েছে।

ঘোষিত ফলাফলে হরিদেবপুর ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান ঢোল প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল হোসেন ১১ হাজার ৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী মফিজুল ইসলাম জর্দার লাঙল প্রতীকে ৫ হাজার ৭৯৬ ভোট পেয়েছেন। আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কায় একরামুল হক পেয়েছেন ৪ হাজার ১৯১ ভোট।

সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মকছেদুর রহমান দুলুর নৌকাকে ডুবিয়ে জিতেছে সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সোহেল রানা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢোল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির ফজলুল হক ফুলবাবু লাঙল প্রতীকে ৬ হাজার ১২৭ ভোট এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী মকছেদুর রহমান দুলু ৫ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়েছেন।

চন্দনপাট ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৬০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির রুহুল আমিন লিটন লাঙল প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৭৮ ভোট এবং আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী লিটন চৌধুরী মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৯৩ ভোট।

এছাড়া রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ১নং আলমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৯০৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী খায়রুল ইসলাম চশমা প্রতীক পেয়েছে ৪ হাজার ২৫৫ এবং জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে রুজিনা খাতুন চৌধুরী ২ হাজার ১০৭ ভোট পেয়েছেন।

জিতু কবীর/এএম/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]