ইয়াবাসহ গ্রেফতার যুবলীগ নেতার ৮ বছর কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল
প্রকাশিত: ০৮:৫৩ পিএম, ২৬ নভেম্বর ২০২০
দণ্ডপ্রাপ্ত মেহেদী হাসান

বরিশালের হিজলা উপজেলায় ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসান ওরফে সাহেব সিকদারকে আট বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। একই মামলায় মেহেদীর হাসানের সহযোগী কালাম ওরফে কালু হাওলাদারকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

হিজলা থানা পুলিশ মেহেদী হাসান ও তার সহযোগী কালামকে ৩৩০ পিস ইয়াবাসহ ২০১৮ সালের ১৯ আগস্ট গ্রেফতার করেন। কয়েক মাস পর জামিনে বের হয়ে ফের মাদক ব্যবসা শুরু করেন মেহেদী হাসান।

গত ১৯ জুন ২২০ পিস ইয়াবা এবং মাদক বিক্রির আট হাজার ৬৩০ টাকাসহ র্যাবের হাতে গ্রেফতার হন মেহেদী হাসান। ২২০ পিস ইয়াবার মামলাটি আদালতে বিচারাধীন।

মেহেদী হাসান উপজেলার নরসিংহপুর গ্রামের মৃত হাসান মাহমুদের ছেলে এবং হিজলা উপজেলা পরিষদের দুই বারের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ টিপু সিকদারের ছোট ভাই। মেহেদী হাসান নিজেও যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি হিজলা উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য।

অপরদিকে, দুই বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত কালাম ওরফে কালু হাওলাদার উপজেলার নরসিংহপুর গ্রামের মৃত জমসেদ হাওলাদারের ছেলে।

jagonews24

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) হেদায়েতুন নবী জাকির মামলার বরাত দিয়ে বলেন, হিজলা থানা পুলিশের একটি দল ২০১৮ সালের ১৯ আগস্ট মাদক বেচা-কেনার খবর পেয়ে নরসিংহপুর গ্রামে একটি পরিত্যক্ত ঘরে অভিযান চালায়।

এ সময় যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসানের শরীর তল্লাশি করে ৩০০ পিস এবং তার সহযোগী কালামের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই হিজলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওবায়েদুল হক বাদী হয়ে মেহেদী হসানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

একই বছরের ২ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিজলা থানার এসআই জাকির হোসেন তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালত মেহেদী হাসান ও তার সহযোগী কালামকে কারাদণ্ড দেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একই মামলার অপর আসামি রিয়াজুল ইসলামকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

সাইফ আমীন/এএম/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]