টিকা দিতে প্রস্তুত রাজশাহীর ৪ কেন্দ্র

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজশাহী
প্রকাশিত: ০৫:২০ পিএম, ২১ জানুয়ারি ২০২১
ফাইল ছবি

দেশে পৌঁছেছে করোনার টিকা। টিকা প্রয়োগের জন্য ইতিমধ্যে রাজশাহীতে চারটি কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ১৬টি বুথে টিকা দেয়া হবে।

কেন্দ্র চারটি হলো- রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল, সিটি করপোরেশনের নগর ভবন, রাজশাহী পুলিশ লাইন্স হাসপাতাল এবং রাজশাহী সেনানিবাস হাসপাতাল। রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাবিবুল আহসান তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি বলেন, করোনার টিকা প্রয়োগের জন্য রাজশাহীতে চারটি কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে চারটি করে বুথ রাখা হয়েছে। টিকা প্রয়োগের কমকর্তা-কর্মচারীসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন। তবে একসঙ্গে চার কেন্দ্রেই টিকা দেয়া হবে নাকি পর্যায়ক্রমে চালু হবে সেটি এখনও ঠিক হয়নি। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ১৮ বছরের নিচে কেউ টিকা পাবে না। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি তালিকা হচ্ছে। সেখানে প্রথম ধাপে স্বাস্থ্যকর্মী পরে সাংবাদিক, পুলিশ, আনসার, বিজিবি ও ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের টিকা দেয়া হবে। টিকা দিতে কোনো ভিড় হবে না। সুরক্ষা অ্যাপসের মাধ্যমে টিকা প্রয়োগের জন্য নির্বাচিত ব্যক্তিকে তার কেন্দ্রের নাম, বুথের ক্রমিক, তারিখ এবং সময় দেয়া হবে। অ্যাপসের বাইরে কোনো টিকা দেয়া হবে না। কেন্দ্রে নিরাপত্তার জন্য আনসার এবং পুলিশ সদস্যরা সেখানে নিয়োজিত থাকবেন।

এদিকে রাজশাহী বিভাগের পরিস্থিতি নিয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক জানিয়েছেন, টিকার জন্য প্রথমিকভাবে একটি তালিকা হয়েছে। হাসপাতাল, সরকারি অফিস থেকে আলাদা তালিকা করে পাঠানো হয়েছে।

স্বাস্থ্যকর্মীদেরও তালিকা হয়েছে। টিকা নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ গোটা বিভাগের গ্রাম পর্যায়ে যেতে চায়। সুরক্ষা অ্যাপসের মাধ্যমে চাহিদা বোঝা যাবে।

ডা. হাবিবুল আহসান তালুকদার বলেন, ভারত থেকে যে ২০ লাখ টিকা উপহার হিসেবে এসেছে তার ভেতর থেকে রাজশাহী বিভাগে কতগুলো আসবে সে সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। আগামী রোববার এ নিয়ে একটি সভা আছে। সেই সভার পরই বিষয়টি পরিষ্কার জানা যেতে পারে।

রাজশাহীতে কোল্ড রুমে ভ্যাকসিন রাখা হবে। বিভাগের আট জেলার মধ্যে নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে এই কোল্ড রুম নেই। এ প্রসঙ্গে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক বলেন, এ দুই জেলায় কোল্ড রুম না থাকলেও আইএলআর আছে। প্রতিদিন সেখানে এক লাখ ডোজ ভ্যাকসিন রাখা সম্ভব। ফলে আপাতত কোনো সমস্যা নেই।

এএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]